Thursday 18th of October 2018 10:19:13 AM
 
  Top News:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহারে দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে----মো:নাসির  |  দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ৫টি সহজ উপায়  |  ৫ মিনিটের কম সময়ে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়  |  Beat Diabetes: 4 Ways to Prevent Type 2 Diabetes  |  নারীদের সফলতার পেছনে রয়েছে এই ৩টি কারণ  |  পাঁচ বদভ্যাসে ক্ষুধা নষ্ট  |  এই খাবারগুলো খালি পেটে খাবেন না  |  রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার এ কারণটি জানেন কি?  |  কম খরচে বিদেশ ভ্রমণে এশিয়ার সেরা ৭  |  শুধু ছেলেরাই নয়, মেয়েদেরকেও দিতে হবে প্রেমের প্রস্তাব   |  উৎকৃষ্ট সব অভ্যাস যাতে মেলে সুখ  |  যে ৪টি কারণে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়  |  মেঘদূত - জেবু নজরুল ইসলাম  |  3 Things Not To Say To Your Toddler  |   Men lose their minds speaking to pretty women  |  Lessons From a Marriage  |  চুইং গামে কী রয়েছে জানেন কি?  |  নিজেই তৈরি করে নিন দারুচিনি দিয়ে মাউথ ওয়াশ  |  সুস্থ থাকুন বৃষ্টি-বাদলায়  |  অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সামলে উঠুন ৪টি উপায়ে  |  
 
 

সব দ্বিতীয় শ্রেণি নিয়েও তিনি বুয়েটের অধ্যাপক

January 9, 2016, 10:28 PM, Hits: 251

 

এনজেবিডি নিউজ :  দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রথম পছন্দ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করছেন ড. মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম। সর্বোচ্চ রেজাল্ট নিয়ে যেখানে ভর্তি হতে মোকাবিলা করতে হয় সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতা, সেখানে তিনি শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শিক্ষাজীবনে সব দ্বিতীয় শ্রেণির রেজাল্ট নিয়ে। এসএসসিতে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে ৩৩ এবং এইচএসসির ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রে পেয়েছিলেন ২৬ নম্বর। এ ছাড়া এসএসসি, এইচএসসি, অনার্স ও মাস্টার্স কোনো পরীক্ষাতেই প্রথম শ্রেণি নেই। আবার নিয়োগের মাত্র ৫ বছরের মধ্যেই হয়েছেন অধ্যাপক। এখন বিভাগীয় প্রধান হওয়ার দৌড়ে আছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্ঘটনা রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এআরআই) প্রফেসর হিসেবে কাজ করছেন তিনি। ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে বুয়েটের এআরআই বিভাগের সোশ্যাল সায়েন্সের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। বুয়েটের এ বিভাগের নিয়োগের নীতিমালায় দেখা যায় শিক্ষক হতে হলে বিএসএস ও এমএসএসের উভয়টিতেই ফাস্ট ক্লাস থাকা বাধ্যতামূলক। অথচ এ বিধিমালার তোয়াক্কা না করে নিয়োগ দেয়ায় ওই শিক্ষকের সুষ্ঠু নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ওই শিক্ষকের জীবনের সব সার্টিফিকেট ও নিয়োগের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ইতিমধ্যে এ প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। এতে দেখা যায়, ১৯৮৬ সালে ঢাকা বোর্ডের অধীনে মানবিক বিভাগে হিরণপুর হাইস্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি। ওই পরীক্ষায় ইংরেজি প্রথম পত্রে ৩৩, দ্বিতীয় পত্রে ৪৩ এবং গণিতে ৩৩ নম্বরসহ অন্য সব বিষয় মিলে মোট ১০০০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছেন ৪৯৫ নম্বর। ১৯৮৮ সালে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন ঢাকা বোর্ডের অধীনে মানবিক বিভাগে নেত্রকোনা সরকারি কলেজ থেকে। ওই পরীক্ষায় ইংরেজি প্রথম পত্রে ৪৭ ও দ্বিতীয় পত্রে পেয়েছেন ২৬ নম্বর। অন্য সব বিষয় মিলে ১০০০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছেন ৫৩২ নম্বর। ১৯৯২ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স পরীক্ষায় পেয়েছেন সেকেন্ড ক্লাস। ১৯৯৩ সালের মাস্টার্স পরীক্ষায়ও পেয়েছেন সেকেন্ড ক্লাস। এমন রেজাল্ট নিয়েও ২০১০ সালে নিয়োগ পেয়ে ইতিমধ্যে তিনটি পদে পদোন্নতি হয়ে এখন প্রফেসর হয়েছেন ওই শিক্ষক।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগের বিভিন্ন কাগজপত্রে দেখা যায়, ‘দুর্ঘটনা রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ প্রকল্প থাকাকালে ২০০৩ সালের ৬ই আগস্টে মোহাম্মদ মাহবুব আলম তালুকদার জুনিয়র রিসার্চ ফেলো হিসেবে যোগ দেন। তখন প্রকল্পের নাম ছিল দুর্ঘটনা রিসার্চ সেন্টার। পরে তিনি রিসার্চ ফেলো হন। ২০১০ সালের ২৮শে এপ্রিল বুয়েটের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. আনোয়ার কবির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে দেখা যায়, মাহবুব আলমসহ কয়েকজন জুনিয়র রিসার্চ ফেলো ও রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্টের অস্থায়ী নিয়োগের মেয়াদ বাড়ানো হয়। ওই অফিস আদেশে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে বলা হয়, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্ঘটনা রিসার্চ ইনস্টিটিউটে বর্তমানে কর্মরত নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাদের অস্থায়ী নিয়োগের মেয়াদ অফিস আদেশের ধারাবাহিকতায় ২০০৭ সালের ১লা জুলাই থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বাড়ানো হলো। পরে ২০১০ সালের ১২ই মে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে তাকে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। ওই আদেশে বলা হয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের ১১-৫-২০১০ তারিখের অনুমোদনক্রমে সিলেকশন বোর্ড কর্তৃক নির্বাচিত প্রার্থী ড. মোহাম্মদ মাহবুব আলম তালুকদারকে শারীরিক উপযুক্ততার প্রমাণপত্র দাখিল এবং চরিত্র ও পূর্ব পরিচয় পুলিশের তদন্ত রিপোর্টে নির্দোষ প্রমাণ সাপেক্ষে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্ঘটনা রিসার্চ ইনস্টিটিউটে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হলো। পরে ২০১৩ সালের ৮ই জুনের এক অফিস আদেশে দেখা যায় ওই শিক্ষককে সহকারী অধ্যাপক থেকে পদোন্নতি দিয়ে সহযোগী অধ্যাপক করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অ. দা.) প্রফেসর ড. এ কে এম মাসুদ স্বাক্ষরিত ওই অফিস আদেশে বলা হয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের ৫-৬-২০১৩ তারিখের অনুমোদনক্রমে সিলেকশন বোর্ড কর্তৃক নির্বাচিত প্রার্থী দুর্ঘটনা ইনস্টিটিউটে (এআরআই) সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ড. মোহাম্মদ মাহবুব আলম তালুকদারকে স্থায়ী সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হলো। ২০১৫ সালের ৩রা জানুয়ারির এক অফিস আদেশে দেখা যায়, ওই শিক্ষককে সহযোগী অধ্যাপক থেকে পদোন্নতি দিয়ে স্থায়ী অধ্যাপক করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও সিন্ডিকেটের সেক্রেটারি প্রফেসর ড. আবু সিদ্দিক স্বাক্ষরিত ওই অফিস আদেশে বলা হয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের ৩১-১২-২০১৪ তারিখের অনুমোদনক্রমে সিলেকশন বোর্ড কর্তৃক নির্বাচিত প্রার্থী দুর্ঘটনা ইনস্টিটিউটে (এআরআই) সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ড. মোহাম্মদ মাহবুব আলম তালুকদারকে স্থায়ী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হলো।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিন মাস ধরে এআরআই বিভাগের কোনো বিভাগীয় প্রধান না থাকলেও অজ্ঞাত কারণে ওই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান নিয়োগ আটকে রয়েছে। এখন ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ভিসি প্রফেসর ড. খালেদা একরাম। অথচ নিয়ম রয়েছে কোনো বিভাগের প্রধান না থাকলে সঙ্গে সঙ্গে নতুন প্রধান নিয়োগ দিতে হবে। এ ছাড়া এআরআই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ওই বিভাগে যোগ্য প্রার্থী না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অন্য যে কোনো বিভাগ থেকে আসতে পারেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রথমে মাহবুবুল আলম তালুকদার প্রফেসর হওয়ার জন্য আবেদন করলে তার আগের রেজাল্টের কারণে আবেদনটি কিছুদিন আটকে থাকে। পরে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে দুর্ঘটনা রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. তানভীর কিছুদিনের জন্য দেশের বাইরে থাকাকালে সিনিয়রিটির ভিত্তিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান ছিলেন ড. মোহাম্মদ মাহবুব আলম তালুকদার। এ সময় তিনি অন্য প্রফেসরদের নিয়ে সিন্ডিকেট ডেকে নিজের প্রফেসরশিপ বাগিয়ে নেন বলে নিজ বিভাগেই অভিযোগ রয়েছে।
তৎকালীন সময় সিসক্রটিং কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক বিভাগের প্রধান ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার। তিনি ড. মোহাম্মদ মাহবুব আলম তালুকদারের ওই কাগজপত্রে সই করেননি। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য প্রফেসর ড. সত্য প্রসাদ মজুমদারের সঙ্গে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি। তবে প্রফেসর ড. মাহবুব আলম তালুকদার দাবি করছেন, তার শিক্ষাগত যোগ্যতার কিছু ডকুমেন্ট দিতে বাকি ছিল বলে প্রফেসর ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার ওই সময় কাগজপত্রে সই করেননি। পরে সেগুলো দিলে আবার তিনি সই করেছেন।
অন্যদিকে শিক্ষক নিয়োগের সময় অনিয়ম ও নির্ধারিত রেজাল্টের চেয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকায় নিয়োগ প্রক্রিয়ার অনিয়ম বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে ভিসি প্রফেসর ড. খালেদা একরামের কাছে চিঠি দিয়েছেন বুয়েটের প্রায় ৫০ শিক্ষক। ২০১৫ সালের ৯ই সেপ্টেম্বরের এ চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন এআরআই বিভাগের সব শিক্ষকসহ বুয়েটের প্রায় ৫০ শিক্ষক। চিঠিতে বলা হয়, আমরা নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানতে পারি, ড. মাহবুব আলম তালুকদার শিক্ষাজীবনে কোনো প্রথম বিভাগ অর্জন করেননি। এআরআই, বুয়েটের সোশ্যাল সায়েন্সের যে কোনো স্তরে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তির জন্য বিএসএস ও এমএসএসের উভয়টিতে প্রথম শ্রেণি থাকা বাধ্যতামূলক। অথচ পর পর সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও পূর্ণ অধ্যাপক এ তিনটি পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো এক অদৃশ্য কারসাজিতে এ গুরুপূর্ণ যোগ্যতার মাপকাঠিকে পাশ কাটিয়ে সম্ভব স্বল্পতম সময়ে ড. মাহবুবকে অধ্যাপক পদ পর্যন্ত নিয়োগ দেয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ একাডেমিক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে এ ধরনের অনিয়মে স্বাক্ষরকারী বুয়েট শিক্ষকরা ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ। চিঠিতে বলা হয়, আমাদের মনে রাখতে হবে বুয়েটে একজন ছাত্র সর্বোাচ্চ গ্রেড/বিভাগ পেয়েও অনেক সময় প্রতিযোগিতার কারণে ছাত্র হিসেবেও প্রবেশ করতে পারেন না। সেখানে সারাজীবনে দ্বিতীয় বিভাগ পাওয়া একজনের অধ্যাপক বনে যাওয়া নিতান্তই অগ্রহণযোগ্য। এতে দাবি জানানো হয়, বিষয়গুলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সুপরিয়র সার্ভিস বোর্ডের দুর্বলতা, দায়ী ব্যক্তি এবং সর্বোপরি নিয়োগ প্রক্রিয়ার দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করার।
এ বিষয়ে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম তালুকদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি যখন অনার্স-মাস্টার্স পাস করেছি, তখন আসলে তেমন কেউ সমাজবিজ্ঞান থেকে ফাস্ট ক্লাস পেত না। আপনি খোঁজ নিয়ে দেখেন আমার বিভাগে আরও অনেক শিক্ষকই সেকেন্ড ক্লাস রেজাল্টধারী রয়েছেন। তিনি বলেন, আমি ২০০৩ সালে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছি। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার জন্য ফাস্ট ক্লাস রেজাল্টের এ বিষয়টি শিথিলযোগ্য ছিল। তিনি দাবি করেন, আসলে বুয়েটের নিয়োগ হয় বিদেশি এক্সপার্টদের মাধ্যমে। কে কি রকম কাজ পারে এটার ওপর ভিত্তি করে বিদেশিরা নিয়োগ দেন। অভিযোগ করে বলেন, আমি যেন বিভাগীয় প্রধান না হতে পারি সেজন্য দুর্ঘটনা রিসার্চ ইনস্টিটিউটের কিছু শিক্ষক পেছনে লেগেছেন। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বুয়েটের ভিসি প্রফেসর খালেদা একরামের দপ্তর থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়। পরে যোগাযোগ করা হলে সহকারী রেজিস্ট্রার মো. সোহরাব উদ্দিন (সংস্থাপন) মানবজমিনকে বলেন, শিক্ষক নিয়োগের আলাদা কোনো আইন বা নিয়মকানুন নেই। কিউটিতে যেটা উল্লেখ আছে সেটাই নিয়ম। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি কমিটি গঠন হয়েছে। কমিটি কাজ করছে। তারা যে সিদ্ধান্ত দেবেন। সেটাই পালন করা হবে। তিনি সাবেক এক ভিসির সময় নিয়োগ পেয়েছেন। এখন বর্তমান ভিসি এ বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে কিছু বলতে পারবেন না। এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের বিষয়।