Monday 18th of December 2017 03:52:55 AM
 
  Top News:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহারে দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে----মো:নাসির  |  দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ৫টি সহজ উপায়  |  ৫ মিনিটের কম সময়ে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়  |  Beat Diabetes: 4 Ways to Prevent Type 2 Diabetes  |  নারীদের সফলতার পেছনে রয়েছে এই ৩টি কারণ  |  পাঁচ বদভ্যাসে ক্ষুধা নষ্ট  |  এই খাবারগুলো খালি পেটে খাবেন না  |  রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার এ কারণটি জানেন কি?  |  কম খরচে বিদেশ ভ্রমণে এশিয়ার সেরা ৭  |  শুধু ছেলেরাই নয়, মেয়েদেরকেও দিতে হবে প্রেমের প্রস্তাব   |  উৎকৃষ্ট সব অভ্যাস যাতে মেলে সুখ  |  যে ৪টি কারণে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়  |  মেঘদূত - জেবু নজরুল ইসলাম  |  3 Things Not To Say To Your Toddler  |   Men lose their minds speaking to pretty women  |  Lessons From a Marriage  |  চুইং গামে কী রয়েছে জানেন কি?  |  নিজেই তৈরি করে নিন দারুচিনি দিয়ে মাউথ ওয়াশ  |  সুস্থ থাকুন বৃষ্টি-বাদলায়  |  অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সামলে উঠুন ৪টি উপায়ে  |  
 
 

"ফাঁসি কখন?" - জানতে চাইলেন নিজামী

May 10, 2016, 3:02 AM, Hits: 307

 

এনজেবিডি নিউজ : মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ড কার্যকরের অপেক্ষায় থাকা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মতিউর রহমান নিজামী কারারক্ষীদের কাছে তার ফাঁসির রায় কখন কার্যকর করা হবে তা জানতে চেয়েছেন।

তবে কারারক্ষীরা বিষয়টি জানেন না বলার পর নিজামী উচ্চস্বরে বলতে থাকেন, ’আমার প্রতি অবিচার করা হচ্ছে।’
 
রোববার রাতে কাশিমপুর কারাগার থেকে নিজামীকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়। সেখানে রজনীগন্ধা সেলে একজন ডেপুটি জেলারের তত্ত্বাবধানে তাকে রাখা হয়েছে।

কারা সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালের নাস্তা হিসেবে নিজামীকে গমের রুটি ও আখের গুড় দেয়া হয়। তবে তিনি তা না খেয়ে কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ক্যান্টিন থেকে নিজের পছন্দমত নাস্তার খাবার সংগ্রহ করেন। এরপর দুপুরের খাবার হিসেবে মাছ-ভাত ও ডাল সরবরাহ করা হয়। জোহরের নামাজ শেষে ওই খাবার খেয়ে বিশ্রাম নেন নিজামী। বিকালে রজনীগন্ধা সেলের বাইরে আধা-ঘণ্টা ঘোরাফেরার সুযোগ পান। এরপর তাকে আবারও সেলে ফিরিয়ে নেয়া হয়।
 
এরপর সেলে গিয়ে মাগরিবের নামাজ আদায়ের পর নিজামীকে রাতের খাবার দেয়া হয়। এ সময় তিনি রাতের খাবার খেতে অনিচ্ছার কথা জানান। এক পর্যায়ে কারারক্ষীদের অনুরোধে তিনি খুবই সামান্য পরিমাণে খাবার গ্রহণ করেন। খাবার শেষে উপস্থিত কারারক্ষীদের কাছে নিজামী তার ফাঁসির রায় কখন কার্যকর করা হবে, তা জানতে চান। তবে কারারক্ষীরা এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে নিজামীকে জানান।
 
এ সময় নিজামী তার ওপর ’অবিচার’ করা হচ্ছে বলে কারারক্ষীদের উদ্দেশে উচ্চস্বরে বলতে থাকেন। এক পর্যায়ে তিনি সেলে বসে উচ্চস্বরে কালেমা পড়তে থাকেন। তখন আশপাশের কক্ষে থাকা ফাঁসির অন্য আসামিরা উৎসুক দৃষ্টিতে নিজামীর কক্ষের দিকে চেয়ে থাকেন।

কারা সূত্র আরও জানায়, রোববার রাতে নিজামীকে কিছু সময়ের জন্য আমদানিতে (কারাগারে নতুন বন্দিদের রাখার স্থান) রাখা হয়। পরে তাকে ৮ নম্বর রজনীগন্ধা (ফাঁসির আসামিদের রাখার স্থান) সেলে নেয়া হয়। এর আগে ওই সেলের আশপাশে পর্যাপ্ত সংখ্যক কারারক্ষী মোতায়েন করা হয়।
 
এ বিষয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার জাহাঙ্গীর কবির বলেন, ’রজনীগন্ধা সেলে নিজামীকে দিনের খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই তিনি খাবার খেয়েছেন।’

তিনি বলেন, ’ফাঁসির আসামিদের রাখার স্থানে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়। ডেঞ্জার জোন হিসেবে খ্যাত ওই এলাকায় অন্য বন্দিদের চলাচলের ওপর কড়াকড়ি থাকে। নিজামীর ক্ষেত্রেও সে ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’
 
কারা সূত্র জানায়, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থানরত জল্লাদ রাজু, আবুল, হযরত ও ইকবালকে দুপুরের পর সিনিয়র জেল সুপারের কক্ষে ডেকে নেয়া হয়। সেখানে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন কারা চিকিৎসক বিপ্লব কান্তি। পরে ওই জল্লাদদের মানসিকভাবে ফাঁসি কার্যকরের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়।
 
সূত্রের দাবি, নিজামীর ফাঁসি কার্যকর করার সম্ভাবনা রয়েছে জল্লাদ রাজু ও আবুলের।