Sunday 23rd of September 2018 12:44:41 PM
 
  Top News:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহারে দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে----মো:নাসির  |  দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ৫টি সহজ উপায়  |  ৫ মিনিটের কম সময়ে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়  |  Beat Diabetes: 4 Ways to Prevent Type 2 Diabetes  |  নারীদের সফলতার পেছনে রয়েছে এই ৩টি কারণ  |  পাঁচ বদভ্যাসে ক্ষুধা নষ্ট  |  এই খাবারগুলো খালি পেটে খাবেন না  |  রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার এ কারণটি জানেন কি?  |  কম খরচে বিদেশ ভ্রমণে এশিয়ার সেরা ৭  |  শুধু ছেলেরাই নয়, মেয়েদেরকেও দিতে হবে প্রেমের প্রস্তাব   |  উৎকৃষ্ট সব অভ্যাস যাতে মেলে সুখ  |  যে ৪টি কারণে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়  |  মেঘদূত - জেবু নজরুল ইসলাম  |  3 Things Not To Say To Your Toddler  |   Men lose their minds speaking to pretty women  |  Lessons From a Marriage  |  চুইং গামে কী রয়েছে জানেন কি?  |  নিজেই তৈরি করে নিন দারুচিনি দিয়ে মাউথ ওয়াশ  |  সুস্থ থাকুন বৃষ্টি-বাদলায়  |  অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সামলে উঠুন ৪টি উপায়ে  |  
 
 

ব্যর্থতা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর ৩ মন্ত্র

May 15, 2016, 10:08 AM, Hits: 172

 

এনজেবিডি নিউজ :  ডিজনি ইন্টার‌অ্যাক্টিভের মোবাইল সার্ভিস প্রোডাক্টসের সাবেক পরিচালক রাজিব বেহেরা। ডিজনি বেশ কয়েকটি মারাত্মক  জনপ্রিয় মোবাইল গেমসের নির্মাতা। ১০০ জন কর্মীর সেই স্টুডিওতে এসব গেম বানানো হয়েছিল তারই নেতৃত্বে। কর্মজীবনে এমন বিশাল একটি প্রতিষ্ঠানে সফলতা ও ব্যর্থতাকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন বেহেরা।

নিজেই বললেন, মোবাইল গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যর্থতাকে মাঝে মধ্যেই সামাল দিতে হবে। যখনই ব্যর্থ হবেন, তখন নানা দিকের চাপে তা বিশাল আকার হয়ে উঠবে। বেহেরার দল একটি গেম বানাতে ৬-১০ মাস কাজ করতেন। প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা এবং সপ্তাহে ৭ দিন তাদের কাজে ব্যস্ত থাকতে হতো।

গেমটি বাজারে ছাড়ার পর বেহেরা জানতেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই বোঝা যাবে, তাদের এই পরিশ্রম হয় সফল কিংবা ব্যর্থ হবে।

বেহেরা জানান, সফল হতে অ্যাপ স্টোরের সেরা ২০ তালিকায় থাকতে হবে গেমটিকে। নয়তো কেউ তার দিকে ঘুরেও তাকাবেন না। অথবা এটা যে আছে জানবেনই না। মোটামুটি ৩০ শতাংশ গেম সফলতার মুখ দেখে। আর ৭০ শতাংশই ব্যর্থ।

কিন্তু ৬-১০ মাসের পরিশ্রমের পর ব্যর্থতা সহজে মেনে নেওয়া যায় না। এর পরিশ্রম কখনোই ব্যর্থ হোক ভাবা যায় না। তা ছাড়া গেম নির্মাণের সময় এতটাই ব্যস্ত থাকতে হয় যে, আপনি সফলতা-ব্যর্থতার সম্ভাবনা নিয়ে চিন্তার সময়ই পাবেন না।

তবে নিজের কাজে সফলতা দেখেছেন বেহেরা। এ জন্যে তিনটি পদ্ধতি অবলম্বন করতেন তিনি। এগুলোই তার ব্যর্থতা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর গোপন মন্ত্র।

১. ঝুঁকি বিবেচনা করে আশাবাদ নির্ধারণ : যেকোনো কাজে ঝুঁকি নির্ধারণের বিষয়ে তিনি ছিলেন স্বচ্ছ। আগে ঝুঁকি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে এ কাজে পা বাড়াবেন কি না। এতে নেতৃত্বের ওপর বিশ্বাসযোগ্যতা আসে। আর বিশ্বাসযোগ্যতা ব্যর্থতায় ঘুরে দাঁড়ানোর অন্যতম শক্তি।

২. ব্যর্থতার দায় নেওয়া : সফল নাও হতে পারেন। আর তা না হতে পারলে আবারো নতুন পরিকল্পনায় ফিরে আসতে হবে। ব্যর্থতার দায় নিজের কাঁধে নিতে হবে। এ মানসিকতা আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে। শুরুতেই আসন্ন সম্ভাব্য সমস্যা সমাধানের উপায় নিয়ে চিন্তা করতে হবে। এতে আশপাশের মানুষ আপার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন বৈশিষ্ট্যের সন্ধান পাবেন। পরিকল্পনা নিশ্ছিদ্র থাকলে প্রোণচ্ছলতা নিয়ে কাজ করতে পারে পুরো দল।

৩. ভুল থেকে শিক্ষাগ্রহণ : ধরে নিন ভুল হবেই। আর তা থেকে শিক্ষা নিতে ভুল করবেন না। এ শিক্ষা ভবিষ্যতে আপনাকে ভুল থেকে দূরে রাখবে। ব্যর্থতা মেনে নেওয়ার মাধ্যমে ভুল চিহ্নিত করুন। আর শিক্ষা নিয়ে নিজেকে আরো দক্ষ করে তুলুন।