Monday 18th of December 2017 03:55:06 AM
 
  Top News:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহারে দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে----মো:নাসির  |  দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ৫টি সহজ উপায়  |  ৫ মিনিটের কম সময়ে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়  |  Beat Diabetes: 4 Ways to Prevent Type 2 Diabetes  |  নারীদের সফলতার পেছনে রয়েছে এই ৩টি কারণ  |  পাঁচ বদভ্যাসে ক্ষুধা নষ্ট  |  এই খাবারগুলো খালি পেটে খাবেন না  |  রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার এ কারণটি জানেন কি?  |  কম খরচে বিদেশ ভ্রমণে এশিয়ার সেরা ৭  |  শুধু ছেলেরাই নয়, মেয়েদেরকেও দিতে হবে প্রেমের প্রস্তাব   |  উৎকৃষ্ট সব অভ্যাস যাতে মেলে সুখ  |  যে ৪টি কারণে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়  |  মেঘদূত - জেবু নজরুল ইসলাম  |  3 Things Not To Say To Your Toddler  |   Men lose their minds speaking to pretty women  |  Lessons From a Marriage  |  চুইং গামে কী রয়েছে জানেন কি?  |  নিজেই তৈরি করে নিন দারুচিনি দিয়ে মাউথ ওয়াশ  |  সুস্থ থাকুন বৃষ্টি-বাদলায়  |  অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সামলে উঠুন ৪টি উপায়ে  |  
 
 

মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে বাড়ছে ব্রেন টিউমার

May 21, 2016, 2:58 AM, Hits: 293

 
এনজেবিডি নিউজ : মোবাইল ফোনই ৪৪ বছর বয়সে প্রাণ নিল ব্রিটেনের ইয়ান ফিলিপসের। মাথায় ছোট্ট একটি টিউমার ছিল, চিকিৎসকরা সারিয়েও দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, বেশিক্ষণ ফোনে কথা বললে ফিরে আসতে পারে টিউমার। অপারেশনের পরে তাই টিউমার নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে, বন্ধুকে নিয়ে একটি সংগঠন তৈরি করেছিলেন তিনি। সংগঠনের মাধ্যমে তোলা টাকা ক্যান্সার চিকিৎসার ফান্ডে পৌঁছে দিতেন। সচেতনতা বাড়াতে অনুষ্ঠানও করতেন। কিন্তু, স্বাস্থ্য পরামর্শদাতা হিসেবে কর্মরত ফিলিপসকে দিনে প্রায় ৬ ঘণ্টা ফোনে কথা বলতে হত। বাধ্য হয়েই একটা সময়ের পর আলাদা রিসিভার ব্যবহার করতে শুরু করেছিলেন তিনি। তেজস্ক্রিয়তা এড়াতে মোবাইলে লাগিয়ে নিতেন সেই রিসিভার। কিন্তু মরণব্যধি ছাড়েনি তাঁকে। ফোনের তেজস্ক্রিয়তায় ফিরে এল টিউমার। চিকিৎসকরা বলছেন, ফিলিপসের মৃত্যুর একমাত্র কারণ অতিরিক্ত ফোন ব্যবহার। সারা পৃথিবী জুড়েই মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে বাড়ছে ব্রেন টিউমার। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কমবয়সীরা। তাদের স্নায়ুতে তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব পড়ছে সবচেয়ে বেশি।‌ 

মোবাইল ফোনই ৪৪ বছর বয়সে প্রাণ নিল ব্রিটেনের ইয়ান ফিলিপসের। মাথায় ছোট্ট একটি টিউমার ছিল, চিকিৎসকরা সারিয়েও দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, বেশিক্ষণ ফোনে কথা বললে ফিরে আসতে পারে টিউমার। অপারেশনের পরে তাই টিউমার নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে, বন্ধুকে নিয়ে একটি সংগঠন তৈরি করেছিলেন তিনি। সংগঠনের মাধ্যমে তোলা টাকা ক্যান্সার চিকিৎসার ফান্ডে পৌঁছে দিতেন। সচেতনতা বাড়াতে অনুষ্ঠানও করতেন। কিন্তু, স্বাস্থ্য পরামর্শদাতা হিসেবে কর্মরত ফিলিপসকে দিনে প্রায় ৬ ঘণ্টা ফোনে কথা বলতে হত। বাধ্য হয়েই একটা সময়ের পর আলাদা রিসিভার ব্যবহার করতে শুরু করেছিলেন তিনি। তেজস্ক্রিয়তা এড়াতে মোবাইলে লাগিয়ে নিতেন সেই রিসিভার। কিন্তু মরণব্যধি ছাড়েনি তাঁকে। ফোনের তেজস্ক্রিয়তায় ফিরে এল টিউমার। চিকিৎসকরা বলছেন, ফিলিপসের মৃত্যুর একমাত্র কারণ অতিরিক্ত ফোন ব্যবহার। সারা পৃথিবী জুড়েই মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে বাড়ছে ব্রেন টিউমার। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কমবয়সীরা। তাদের স্নায়ুতে তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব পড়ছে সবচেয়ে বেশি।‌ - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/lifestyle/2016/05/21/360858#sthash.ke4pye2b.dpuf