Monday 18th of December 2017 03:42:52 AM
 
  Top News:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহারে দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে----মো:নাসির  |  দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ৫টি সহজ উপায়  |  ৫ মিনিটের কম সময়ে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়  |  Beat Diabetes: 4 Ways to Prevent Type 2 Diabetes  |  নারীদের সফলতার পেছনে রয়েছে এই ৩টি কারণ  |  পাঁচ বদভ্যাসে ক্ষুধা নষ্ট  |  এই খাবারগুলো খালি পেটে খাবেন না  |  রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার এ কারণটি জানেন কি?  |  কম খরচে বিদেশ ভ্রমণে এশিয়ার সেরা ৭  |  শুধু ছেলেরাই নয়, মেয়েদেরকেও দিতে হবে প্রেমের প্রস্তাব   |  উৎকৃষ্ট সব অভ্যাস যাতে মেলে সুখ  |  যে ৪টি কারণে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়  |  মেঘদূত - জেবু নজরুল ইসলাম  |  3 Things Not To Say To Your Toddler  |   Men lose their minds speaking to pretty women  |  Lessons From a Marriage  |  চুইং গামে কী রয়েছে জানেন কি?  |  নিজেই তৈরি করে নিন দারুচিনি দিয়ে মাউথ ওয়াশ  |  সুস্থ থাকুন বৃষ্টি-বাদলায়  |  অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সামলে উঠুন ৪টি উপায়ে  |  
 
 

ভারতীয় গুপ্তচর সংস্থা ‘র’ সম্পর্কে ১০টি তথ্য

May 24, 2016, 2:07 AM, Hits: 295

 

এনজেবিডি নিউজ : ‘র’ কিন্তু যে কোনও সংসদের কোনও প্রশ্নের উত্তর নাও দিতে পারে। এই বিশেষ সংস্থার ক্ষেত্রে তাই এদেশের ‘রাইট টু ইনফরমেশন অ্যাক্ট’ কার্যকরী নয়। দেশের সুরক্ষা এবং তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্যেই এই ব্যবস্থা।

রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং বা সংক্ষেপে ‘র’। দেশের সাধারণ মানুষের মনে এই সংস্থাটি নিয়ে প্রবল কৌতূহল রয়েছে। জেনে নিন এই সংস্থা সম্পর্কে কিছু তথ্য।


১) ১৯৬৮ সালে স্থাপিত হয় ভারতের এই ফরেন ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি। ইন্দিরা গাঁধী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীনই গড়ে তোলা হয় এই সংস্থা। মূলত চিন ও পাকিস্তানের যুদ্ধের পরেই এমন একটি সংস্থা তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

২) প্রথমদিকে সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং রাজস্ব দফতর থেকে নিয়োগ করা হত ‘র’-তে। পরবর্তীকালে বিভিন্ন শাখায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টপ স্কোরারদের নিয়োগ করা শুরু হয় কারণ এই সংস্থার কাজকর্মের অনেকটা অংশ জুড়ে রয়েছে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক গবেষণা।

৩) ‘র’ কিন্তু যে কোনও সংসদের কোনও প্রশ্নের উত্তর নাও দিতে পারে। এই বিশেষ সংস্থার ক্ষেত্রে তাই এদেশের ‘রাইট টু ইনফরমেশন অ্যাক্ট’ কার্যকরী নয়। দেশের সুরক্ষা এবং তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্যেই এই ব্যবস্থা।

৪) ‘র’ সেক্রেটারি জয়েন্ট ইনটেলিজেন্স কমিটির সদস্য। এই কমিটি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে রিপোর্ট করে। আবার ‘র’ সেক্রেটারিও সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে রিপোর্ট করেন।  

৫) ‘র’-এর মূল পাঁচটি বিভাগ রয়েছে  এবং প্রত্যেকটির মাথায় একজন জয়েন্ট সেক্রেটারি রয়েছেন দায়িত্বে। এই অঞ্চলগুলি হল— পাকিস্তান, চিন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, অন্যান্য দেশ এবং অন্তর্বর্তী সুরক্ষা।

৬)  প্রধান দফতর দিল্লিতে এবং এই মুহূর্তে সংস্থার চিফ হলেন রাজিন্দর খন্না।

৭) সংস্থায় নিয়োগের পর প্রত্যেককে দু’ভাগে ট্রেনিং দেওয়া হয়। বেসিক ট্রেনিংটি ১০ দিনের যেখানে সংস্থার কাজকর্ম, সংস্থার নিরাপত্তা, বিজ্ঞান ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে সাধারণ ধারণা তৈরি করা হয়। পরের ফিল্ড ট্রেনিংটি চলে ২ বছর। সিনিয়র অফিসারদের তত্ত্বাবধানেই হয় এই ট্রেনিং।  

৮) ২০০৪ সালে ‘র’-এর জয়েন্ট সেক্রেটারি রবিন্দর সিং হঠাৎই দিল্লি থেকে নজরবন্দি থাকা অবস্থাতেই উধাও হয়ে যান। পরে জানা যায়, তিনি আসলে মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ-র হয়ে কাজ করছিলেন।

৯) গুপ্তচর ছাড়াও ‘র’-তে কাজ করেন বিভিন্ন ভাষার অনুবাদক, গণিতজ্ঞ, সংখ্যাতত্ত্ববিদ, অ্যানালিস্ট ও তথ্যপ্রযুক্তিবিদ।

১০) ‘র’-এর চাকরির জন্য আবেদন করতে গেলে অতীতে কোনও পুলিশ রেকর্ড থাকা চলবে না এবং অবশ্যই ভারতীয় নাগরিক হতে হবে। এছাড়া ড্রাগসেবনের অভ্যাস থাকলে আবেদন খারিজ হয়ে যাবে। যে কোনও চাকরিপ্রার্থীর পরিবার, মানসিক স্বাস্থ্য, রাজনৈতিক মতাদর্শ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ঋণের পরিমাণ ও ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে যাবতীয় খোঁজখবর নিয়ে তবেই আবেদন খতিয়ে দেখা হয়।