Monday 25th of June 2018 11:29:25 AM
 
  Top News:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহারে দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে----মো:নাসির  |  দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ৫টি সহজ উপায়  |  ৫ মিনিটের কম সময়ে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়  |  Beat Diabetes: 4 Ways to Prevent Type 2 Diabetes  |  নারীদের সফলতার পেছনে রয়েছে এই ৩টি কারণ  |  পাঁচ বদভ্যাসে ক্ষুধা নষ্ট  |  এই খাবারগুলো খালি পেটে খাবেন না  |  রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার এ কারণটি জানেন কি?  |  কম খরচে বিদেশ ভ্রমণে এশিয়ার সেরা ৭  |  শুধু ছেলেরাই নয়, মেয়েদেরকেও দিতে হবে প্রেমের প্রস্তাব   |  উৎকৃষ্ট সব অভ্যাস যাতে মেলে সুখ  |  যে ৪টি কারণে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়  |  মেঘদূত - জেবু নজরুল ইসলাম  |  3 Things Not To Say To Your Toddler  |   Men lose their minds speaking to pretty women  |  Lessons From a Marriage  |  চুইং গামে কী রয়েছে জানেন কি?  |  নিজেই তৈরি করে নিন দারুচিনি দিয়ে মাউথ ওয়াশ  |  সুস্থ থাকুন বৃষ্টি-বাদলায়  |  অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সামলে উঠুন ৪টি উপায়ে  |  
 
 

'তারা বললেন আমি যোগ্য, অথচ চাকরি পেলেন আরেকজন'

May 27, 2016, 12:09 AM, Hits: 498

 

এনজেবিডি নিউজ : ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞ লিজ রাইয়ানের কাছে চিঠি লিখলেন এক  চাকরিপ্রার্থী মার্ক। সেখানে জানান তার যন্ত্রণাদায়ক এক অভিজ্ঞতার কথা।

মার্ক লিখেছেন যে, একটি চাকরির বিজ্ঞাপন দেখে সেখানে আবেদন করেন তিনি। সবেমাত্র চাকরি খুঁজতে শুরু করেছিলেন। প্রথম মাসেই প্রথম আবেদন করতে পেরে বেশ খুশি। চাকরিটা পছন্দসই না হলেও ইন্টারভিউয়ের অভিজ্ঞতা অর্জন জরুরি। অদ্ভুত হলেও সত্য, ওই অফিসে তিনি তিন দফা ইন্টারভিউ দেন। প্রথম ইন্টারভিউয়ে ইন্টারভিউয়ের কার্যক্রমে উপস্থিত এক ম্যানেজার নিকো তাকে যোগ্য প্রার্থী বলে মন্তব্য করেন। নিকো এও বলেন যে, তাকে পেলে দারুণ একটি দল গঠন সম্ভব হবে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফা ইন্টরভিউয়ের পর আরো আশাবাদী হয়ে উঠলেন প্রার্থী। বুঝে গেলেন, তিনি নিশ্চিত পাচ্ছেন চাকরিটা। কিন্তু এর পর থেকেই অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে তারা চুপচাপ হয়ে গেলেন।

পরে জানতে পারলেন, ওই পদে অন্য একজনকে নেওয়া হয়েছে। অথচ দ্বিতীয় ইন্টারভিউয়ে তাকে আরেক নারী জানান, এই পদের জন্যে প্রার্থী হিসাবে তিনি দারুণভাবে যোগ্য। অথচ কেন এমন হলো সে বিষয়ে কোনো ধারণাই নেই তার।

মার্ককে পাল্টা লিখেছেন বিশেষজ্ঞ লিজ। তার চিঠিতেই বিষয়টা পরিষ্কার করার চেষ্টা করেছেন। তিনি লিখেছেন, চাকরিদাতাদের মধ্যে চূড়ান্ত অভদ্রতা ও অপেশাদারিত্বের নমুনা দেখা যায়। হায়ারিং ম্যানেজাররা চান কেবলমাত্র পদটি পূরণ করতে। এর আগেও এমন ঘটেছে। ফিল নামের এক প্রার্থীকে তিন বার ডেকে নেওয়া হয় ইন্টারভিউয়ে। কিন্তু অবশেষে তিনি বাদ পড়েন।

এসব ক্ষেত্র প্রতিষ্ঠানগুলোর রহস্যময় আচরণ সত্যিই বিস্ময়কর। তারা কেবল শেষে জানিয়ে দেয়, তারা অন্য প্রার্থীকে বেছে নিয়েছে। তাহলে একজন প্রার্থীর জন্যে চাকরির সঠিক সুযোগ কি হতে পারে?

এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে প্রত্যেক মিটিংয়ের জন্যে একটা করে চুক্তি সৃষ্টি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে অবশ্য চাকরিদাতারা আগ্রহী হতে চান না। গোটা বিষয়টাতে প্রার্থীরা বেশ দোদুল্যমান পরিস্থিতিতে থাকেন। ফিলের যখন এ অবস্থা হয়, তখন এক ম্যানেজার তাকে কম্পানির সিইও-এর সঙ্গে দেখা করতে বলেন।

তবে ফিল নতুন অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। তিনি নিজের বিষয়টা নিয়ে অনেক চিন্তা করেছেন। কোনো চুক্তিতে যাওয়ার মতো সাহস বা যোগ্যতা বিষয়ে নতুন চাকরিপ্রর্থীরা আত্মবিশ্বাস পান না। ফিল বুঝতে পেরেছেন, আপনি যখন কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্যে খুব বেশি সহজলভ্য, খুব বেশি আগ্রহী, খুব বেশি নমনীয় হলে তখন প্রার্থী তার গুরুত্ব হারান। এ জন্যে তাদের আগ্রহ কিছুটা প্রকাশ করা যায়। তবে নিজের মূল্যমান ধরে রাখতে হবে। কাউকে বোঝাতে হবে না যে আপনি যোগ্য। যারা বোঝার তারা ঠিকই বুঝে নেবেন।

তা ছাড়া চাকরি খোঁজার কাজে আপনি সব সময় মনের কথা শুনবেন। সঠিক চাকরি এবং প্রতিষ্ঠানের সন্ধান মিললে ঠিকই চাকরি পেয়ে যাবেন।