Saturday 16th of December 2017 07:32:51 PM
 
  Top News:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহারে দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে----মো:নাসির  |  দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ৫টি সহজ উপায়  |  ৫ মিনিটের কম সময়ে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়  |  Beat Diabetes: 4 Ways to Prevent Type 2 Diabetes  |  নারীদের সফলতার পেছনে রয়েছে এই ৩টি কারণ  |  পাঁচ বদভ্যাসে ক্ষুধা নষ্ট  |  এই খাবারগুলো খালি পেটে খাবেন না  |  রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার এ কারণটি জানেন কি?  |  কম খরচে বিদেশ ভ্রমণে এশিয়ার সেরা ৭  |  শুধু ছেলেরাই নয়, মেয়েদেরকেও দিতে হবে প্রেমের প্রস্তাব   |  উৎকৃষ্ট সব অভ্যাস যাতে মেলে সুখ  |  যে ৪টি কারণে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়  |  মেঘদূত - জেবু নজরুল ইসলাম  |  3 Things Not To Say To Your Toddler  |   Men lose their minds speaking to pretty women  |  Lessons From a Marriage  |  চুইং গামে কী রয়েছে জানেন কি?  |  নিজেই তৈরি করে নিন দারুচিনি দিয়ে মাউথ ওয়াশ  |  সুস্থ থাকুন বৃষ্টি-বাদলায়  |  অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সামলে উঠুন ৪টি উপায়ে  |  
 
 

নিখুঁতভাবে বই পড়ার সঠিক অঙ্গবিন্যাস শিখে নিন...

May 28, 2016, 3:57 AM, Hits: 298

 
এনজেবিডি নিউজ : যাঁরা বই পড়তে পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য টিপস দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। অনেক পড়ুয়া এক বসায়ই একটি বই অনায়াসে শেষ করতে পারেন। কিন্তু বসার ভঙ্গিতেই কোনো বই আরো উপভোগ্য হয়ে ওঠে। এ কৌশলে মস্তিষ্কের শতভাগ সংযোগ ঘটানো যায়। এখানে বিশেষজ্ঞরা শিখিয়েছেন নিখুঁতভাবে বই পড়ার ছয়টি কার্যকর  পদ্ধতির কথা
১. পায়ের দৈর্ঘ্যের সঙ্গে মানানসই আসনে বসা
বইয়ের জটিল ঘটনার মধ্য দিয়ে যখন যাচ্ছেন, তখন যে চেয়ারে বসবেন এর উচ্চতা যেন আপনার পায়ের দৈর্ঘ্যের সঙ্গে খাপ খায়। আসন গ্রহণের পর পা দুটি এমনভাবে ভূমিতে থাকবে যেন তা দৈহিক যন্ত্রণার কারণ না হয়। চেয়ারের কিনারা যেন পায়ের রক্ত চলাচল বন্ধ করে না দেয়। এতে পায়ে ঝিঝি ধরে যাবে। হাঁটু থেকে পায়ের নিচের অংশ ভূমিতে অনেকটা খাড়াভাবে অবস্থান করবে।
২. পিঠে আরাম দিন
যে আসনে বসেছেন সেখানে পিঠ যেন সুষ্ঠুভাবে ঠাঁই পায় তার ব্যবস্থা থাকা বাঞ্ছনীয়। কুঁজো হয়ে বসতে হলে ঘাড় ও পিঠের ব্যথা শুরু হবে। এতে মনোযোগ নষ্ট হয়। বইটি শেষ করতে সময়ও বেশি লাগবে। পিঠ ঠেকানোর অংশটি একটু হেলানো হলে আয়েশি ঢঙে বইটি পড়তে পারবেন।
৩. পায়ের জন্য বাড়তি অবলম্বন
চেয়ারে যেন পা ওপর-নিচ করে রাখা যায়। অধিকাংশ চেয়ারে পা দুটি মাটি থেকে একটু ওপরে রাখার ব্যবস্থা থাকে। মাঝেমধ্যে একটি পা একটু উঁচিয়ে রাখলে একঘেয়েমি দূর হবে।
৪. মেরুদণ্ডের স্বস্তি
বসার পর মেরুদণ্ড নিরপেক্ষ অবস্থানে রাখা প্রয়োজন। ভালো হয় যদি চেয়ারে মেরুদণ্ড না বাঁকিয়ে খাড়া করে বসতে পারেন। এতে বইটি পড়তে মাথা সামনে হেলবে না। ফলে মাথার ওজন বইতেও হবে না। কাঁধ সামনের দিকে হেলিয়ে বই পড়লে মেরুদণ্ডে ব্যথা সৃষ্টি হয়। এ জন্য অনেক সময় শিঁরদাড়া খাড়া করে বসার মতো চেয়ার বেশি সুবিধাজনক।
৫. নিবদ্ধ দৃষ্টি
লেখার সঙ্গে চোখের সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে দৃষ্টিপথ বরাবর বইটি হাতে ধরা উত্তম। বইয়ের ভাষা আরো স্পষ্ট হয়ে চোখে ধরা পড়ে। আসনের হাতলে দু-একটি বালিশ দিয়ে বসলে আরো বেশি আরামদায়ক হবে।
৬. বিরতি
পৃথিবীর সব কাজ থেকে কিছু সময়ের বিরতি দরকার। দারুণ একটি বইয়ের শ্বাসরুদ্ধকর কাহিনীর মাঝেও বিরতি প্রয়োজন। একটু হেঁটে আসুন, চিন্তা করুন এবং গল্পটা কল্পনায় তুলে আনুন। এর মাধ্যমে বইয়ের সঙ্গে আপনার আত্মিক যোগাযোগ সৃষ্টি হবে। বইয়ের ওজন খুব বেশি হলে তো বিরতি অতি জরুরি হয়ে ওঠে। তাই বিরতি দিন। নয়তো যত মনোযোগের সঙ্গেই পড়েন না কেন, তা মোটেও আনন্দ দেবে না। 

যাঁরা বই পড়তে পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য টিপস দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। অনেক পড়ুয়া এক বসায়ই একটি বই অনায়াসে শেষ করতে পারেন। কিন্তু বসার ভঙ্গিতেই কোনো বই আরো উপভোগ্য হয়ে ওঠে। এ কৌশলে মস্তিষ্কের শতভাগ সংযোগ ঘটানো যায়। এখানে বিশেষজ্ঞরা শিখিয়েছেন নিখুঁতভাবে বই পড়ার ছয়টি কার্যকর  পদ্ধতির কথা
১. পায়ের দৈর্ঘ্যের সঙ্গে মানানসই আসনে বসা
বইয়ের জটিল ঘটনার মধ্য দিয়ে যখন যাচ্ছেন, তখন যে চেয়ারে বসবেন এর উচ্চতা যেন আপনার পায়ের দৈর্ঘ্যের সঙ্গে খাপ খায়। আসন গ্রহণের পর পা দুটি এমনভাবে ভূমিতে থাকবে যেন তা দৈহিক যন্ত্রণার কারণ না হয়। চেয়ারের কিনারা যেন পায়ের রক্ত চলাচল বন্ধ করে না দেয়। এতে পায়ে ঝিঝি ধরে যাবে। হাঁটু থেকে পায়ের নিচের অংশ ভূমিতে অনেকটা খাড়াভাবে অবস্থান করবে।
২. পিঠে আরাম দিন
যে আসনে বসেছেন সেখানে পিঠ যেন সুষ্ঠুভাবে ঠাঁই পায় তার ব্যবস্থা থাকা বাঞ্ছনীয়। কুঁজো হয়ে বসতে হলে ঘাড় ও পিঠের ব্যথা শুরু হবে। এতে মনোযোগ নষ্ট হয়। বইটি শেষ করতে সময়ও বেশি লাগবে। পিঠ ঠেকানোর অংশটি একটু হেলানো হলে আয়েশি ঢঙে বইটি পড়তে পারবেন।
৩. পায়ের জন্য বাড়তি অবলম্বন
চেয়ারে যেন পা ওপর-নিচ করে রাখা যায়। অধিকাংশ চেয়ারে পা দুটি মাটি থেকে একটু ওপরে রাখার ব্যবস্থা থাকে। মাঝেমধ্যে একটি পা একটু উঁচিয়ে রাখলে একঘেয়েমি দূর হবে।
৪. মেরুদণ্ডের স্বস্তি
বসার পর মেরুদণ্ড নিরপেক্ষ অবস্থানে রাখা প্রয়োজন। ভালো হয় যদি চেয়ারে মেরুদণ্ড না বাঁকিয়ে খাড়া করে বসতে পারেন। এতে বইটি পড়তে মাথা সামনে হেলবে না। ফলে মাথার ওজন বইতেও হবে না। কাঁধ সামনের দিকে হেলিয়ে বই পড়লে মেরুদণ্ডে ব্যথা সৃষ্টি হয়। এ জন্য অনেক সময় শিঁরদাড়া খাড়া করে বসার মতো চেয়ার বেশি সুবিধাজনক।
৫. নিবদ্ধ দৃষ্টি
লেখার সঙ্গে চোখের সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে দৃষ্টিপথ বরাবর বইটি হাতে ধরা উত্তম। বইয়ের ভাষা আরো স্পষ্ট হয়ে চোখে ধরা পড়ে। আসনের হাতলে দু-একটি বালিশ দিয়ে বসলে আরো বেশি আরামদায়ক হবে।
৬. বিরতি
পৃথিবীর সব কাজ থেকে কিছু সময়ের বিরতি দরকার। দারুণ একটি বইয়ের শ্বাসরুদ্ধকর কাহিনীর মাঝেও বিরতি প্রয়োজন। একটু হেঁটে আসুন, চিন্তা করুন এবং গল্পটা কল্পনায় তুলে আনুন। এর মাধ্যমে বইয়ের সঙ্গে আপনার আত্মিক যোগাযোগ সৃষ্টি হবে। বইয়ের ওজন খুব বেশি হলে তো বিরতি অতি জরুরি হয়ে ওঠে। তাই বিরতি দিন। নয়তো যত মনোযোগের সঙ্গেই পড়েন না কেন, তা মোটেও আনন্দ দেবে না। - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/lifestyle/2016/05/26/362633#sthash.nZPZumD1.dpuf