Monday 18th of December 2017 03:54:39 AM
 
  Top News:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহারে দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে----মো:নাসির  |  দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ৫টি সহজ উপায়  |  ৫ মিনিটের কম সময়ে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়  |  Beat Diabetes: 4 Ways to Prevent Type 2 Diabetes  |  নারীদের সফলতার পেছনে রয়েছে এই ৩টি কারণ  |  পাঁচ বদভ্যাসে ক্ষুধা নষ্ট  |  এই খাবারগুলো খালি পেটে খাবেন না  |  রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার এ কারণটি জানেন কি?  |  কম খরচে বিদেশ ভ্রমণে এশিয়ার সেরা ৭  |  শুধু ছেলেরাই নয়, মেয়েদেরকেও দিতে হবে প্রেমের প্রস্তাব   |  উৎকৃষ্ট সব অভ্যাস যাতে মেলে সুখ  |  যে ৪টি কারণে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়  |  মেঘদূত - জেবু নজরুল ইসলাম  |  3 Things Not To Say To Your Toddler  |   Men lose their minds speaking to pretty women  |  Lessons From a Marriage  |  চুইং গামে কী রয়েছে জানেন কি?  |  নিজেই তৈরি করে নিন দারুচিনি দিয়ে মাউথ ওয়াশ  |  সুস্থ থাকুন বৃষ্টি-বাদলায়  |  অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সামলে উঠুন ৪টি উপায়ে  |  
 
 

বর্জন করুন কথার মাঝের বাজে অভ্যাসগুলো

May 28, 2016, 10:55 PM, Hits: 274

 

এনজেবিডি নিউজ : বোবার শত্রু  থাকে না, কারণ বোবা কথা বলতে পারে না। তাহলে বুঝতেই পারছেন কথা বলতে পারার ব্যাপারটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ আবার বেশ বিপদজনকও বটে।

ঘরে বাইরে আমরা সারাদিন প্রচুর কথা বলি। একটি প্রবাদ আছে, বোমা পড়লেও বাঙালি কথা বলে। এর থেকে বোঝা যায় আমরা বাঙালিরা অনেক কথা বলি। কিন্তু কাজের কথা নয় বরং অকাজের কথা বেশি বলি। একজন মানুষ মারা গেলে, তার চারপাশের বাকি মানুষরা শুধু তার কথা ও কর্মের কারণে তাকে স্মরণ করে।

কথা বলার সময় আমরা কী ভেবে দেখি কী বলছি আর কেনই বা বলছি। কোনটা বলা ঠিক আর কোনটা বলা ঠিক নয়। কথা বলার এই অভ্যাসগুলো তৈরি হয় ছোটবেলা থেকেই। আমাদের পরিবার, পারিপার্শ্বিকতা আমাদের কথা বলার ধরনকে অনেক প্রভাবিত করে।

একটা বাচ্চা যখন কথা বলতে শেখে, তার মস্তিষ্ক ঐ শব্দগুলোকে ধারণ করে যা সে সব থেকে বেশি শোনে। একটি শিশু যখন দেখে যে তার মা দিনের বেশিরভাগ সময় মুঠোফোনে কথা বলে অথবা পাশের বাড়ির কারো সঙ্গে পরচর্চা করে কাটিয়ে দেন, তখন ঐ শিশুটির মধ্যেও সেটি আয়ত্ব হতে থাকে। আর সেই আয়ত্ব করা অভ্যাসটির সব থেকে খারাপ প্রভাব পড়ে যখন ঐ শিশুটি বড় হয়ে তার ব্যক্তিগত জীবনে পা দেয়।

কিন্তু আপনার এই আয়ত্ব করা অভ্যাসটি আপনি চাইলে এখনো বাদ দিতে পারেন। আপনার একান্ত চেষ্টাই কথার মধ্যের বাজে অভ্যাসগুলো থেকে আপনাকে মুক্তি দিতে পারে। আপনার ব্যক্তিত্বকে করে তুলতে পারে আরো সুন্দর। আসুন জেনে নেয়া যাক কথা বলার মাঝের বাজে অভ্যাসগুলো কী কী-

• নিজেকে নেতিবাচক ভাবে উপস্থাপন না করা। ভালো খারাপ সবার মাঝে থাকে তাই বলে নিজেকে যখন আপনি অন্য কারো সামনে উপস্থাপন করবেন আপনার উচিত হবে নিজেকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা। নেতিবাচক কথা এবং কাজ দুইটাই আপনার পারিবারিক ও সামাজিক নৈতিকতা ও মূল্যবোধের বাইরে। আপনি নিজেকে যেভাবে উপস্থাপন করবেন মানুষ আপনাকে সেভাবেই চিনবে। এজন্য উচিত সব সময় ইতিবাচক কথা বলা।

• সব সময় অন্যের বিচার করে কথা বলবেন না। আপনি যার সম্পর্কে পুরোপুরি জানেন না, তার কোনো একটি কাজের বিনিময়ে তাকে বিচার করা ঠিক না। আর আপনি যদি সব সময় অন্যকে বিচার করে কথা বলেন তাহলে যার বা যাদের সঙ্গে কথা বলছেন তারাও আপনাকে তাদের কথা বলতে সংকোচ বোধ করবে।

• ক্লাসে বা অফিসে দেরি করে গিয়ে অজুহাত দেখাতে শুরু করে দেই আমরা। এটা কথা বলার আরেকটি বাজে অভ্যাস। অজুহাত যখন কারো অভ্যাসে পরিণত হয় তখন সে ধীরে ধীরে তার পরিবার, প্রিয় মানুষ, বন্ধু-বান্ধবদেরকেও অজুহাত দেখাতে শুরু করে। অজুহাত এক প্রকার মিথ্যা কথা। এটিকে বর্জন করে নিজের ভুল স্বীকার করে নিয়ে সত্যি কথা বলা শুরু করুন।

• অতিরঞ্জিত কথা না বলা। অনেকে কথা বলার সময় নাটকীয় ভাব করেন। এগুলোকে বর্জন করুন।

• সব সময় নিজের ভুল অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা আরেকটি বাজে অভ্যাস। ভুল না করলে কোনো কিছু শেখার পূর্ণতা পায় না। আর ভুলটা যখন নিজের তখন স্বীকার করতে সমস্যাটা কোথায়। ভুল স্বীকার করে নিলে কারো মানহানি হয় না। তাই নিজের ভুল স্বীকার করে নিয়ে অন্যের ওপর দোষ চাপিয়ে কথা বলার অভ্যাসটি ত্যাগ করুন। এতে আপনারই উপকার বেশি।

• অফিসে বা কাজের ফাকে বসে অযথা গল্প করা ঠিক নয়। গল্প করারও প্রয়োজন আছে। এতে মন হালকা ও সতেজ লাগে। তাই বলে নিজের কাজের সময় নষ্ট করে গল্প করা ঠিক না।

• পরনিন্দা বা পরচর্চা না করা। এটি একজন মানুষের নৈতিক মুল্যবোধের বাইরে। অন্য কারো কোনো দোষ যদি আপনার নজরে পড়ে তবে সেটি তাকে সামনাসামনি বলুন।

• কুসংস্কার, মতবাদ সংক্রান্ত কথা এড়িয়ে চলুন। প্রত্যেকটা মানুষের বিশ্বাস তার নিজের কাছে। অন্য কেউ ভুল কথা বললে তাকে ঠিকটা বুঝিয়ে বলুন। তাই বলে তার বিশ্বাসে আঘাত করবেন না। বেশি চুপচাপ থাকা মানুষ মানসিক সমস্যায় বেশি ভোগেন। তাই কথা বলুন। নিজে হাসুন, অন্যকে হাসানোর চেষ্টা করুন। আর এমন কথা বলুন যা ঠিক, সুন্দর ও আনন্দময়।