Tuesday 22nd of May 2018 05:25:55 PM
 
  Top News:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহারে দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে----মো:নাসির  |  দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ৫টি সহজ উপায়  |  ৫ মিনিটের কম সময়ে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়  |  Beat Diabetes: 4 Ways to Prevent Type 2 Diabetes  |  নারীদের সফলতার পেছনে রয়েছে এই ৩টি কারণ  |  পাঁচ বদভ্যাসে ক্ষুধা নষ্ট  |  এই খাবারগুলো খালি পেটে খাবেন না  |  রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার এ কারণটি জানেন কি?  |  কম খরচে বিদেশ ভ্রমণে এশিয়ার সেরা ৭  |  শুধু ছেলেরাই নয়, মেয়েদেরকেও দিতে হবে প্রেমের প্রস্তাব   |  উৎকৃষ্ট সব অভ্যাস যাতে মেলে সুখ  |  যে ৪টি কারণে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়  |  মেঘদূত - জেবু নজরুল ইসলাম  |  3 Things Not To Say To Your Toddler  |   Men lose their minds speaking to pretty women  |  Lessons From a Marriage  |  চুইং গামে কী রয়েছে জানেন কি?  |  নিজেই তৈরি করে নিন দারুচিনি দিয়ে মাউথ ওয়াশ  |  সুস্থ থাকুন বৃষ্টি-বাদলায়  |  অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সামলে উঠুন ৪টি উপায়ে  |  
 
 

জীবাণু প্রতিরোধে যে ৫ অভ্যাস কোনো কাজ করে না

May 28, 2016, 10:57 PM, Hits: 499

 
এনজেবিডি নিউজ : রোগ-জীবাণু প্রতিরোধের জন্য স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ার বিকল্প নেই। মারাত্মক নানা রোগ থেকে নিজেকে রক্ষার জন্যও নানা স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়া প্রয়োজন। কিন্তু আমরা এজন্য এমন কিছু অভ্যাস গড়ে তুলেছি, যে অভ্যাসগুলো বাস্তবে কোনো কাজে লাগে না। এ লেখায় রয়েছে তেমন কয়েকটি অভ্যাসের কথা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
১. বাথরুম ফ্ল্যাশ করতে পায়ের ব্যবহার
আপনার বাথরুমের দরজা সবচেয়ে জীবাণুযুক্ত একটি এলাকা। দরজার হাতলে থাকতে পারে অসংখ্য জীবাণু। আর আপনার দরজার হাতল খোলার জন্য হাত ব্যবহার করতেই হবে। তাই ফ্ল্যাশ হাত দিয়ে ব্যবহার না করলেও তাতে জীবাণু সংক্রমণের আশঙ্কা থেকেই যায়। এক্ষেত্রে সন্দেহ থাকলে হাতে একটি পরিষ্কার টিসু পেপার রেখে তা দিয়ে দরজা খোলা বা ফ্ল্যাশ ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া অল্প কিংবা বেশি, যে সময়ের জন্যই বাথরুম যান না কেন, সেখান থেকে বের হওয়ার পর হাত ভালোভাবে সাবান দিয়ে ধোয়ার বিকল্প নেই।
২. কেউ হাঁচি দেওয়ার সময় নাক বন্ধ করে
আশপাশের ব্যক্তিরা যদি হাঁচি দেয় তাহলে তার মাধ্যমে আপনার দেহেও জীবাণু সংক্রমিত হতে পারে। এক্ষেত্রে কেউ হাঁচি দিলে আপনি যদি শ্বাস বন্ধ করে নেন তাহলে কি কার্যকরভাবে জীবাণু প্রতিরোধ করা যাবে? এ প্রশ্নে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেউ হাঁচি দিলে বাতাসে যে জীবাণু ছড়ায় তা প্রতিরোধ করতে হলে বেশ কিছুক্ষণ শ্বাস বন্ধ করে থাকতে হবে। কারণ জীবাণুগুলো বেশ কিছুক্ষণ বাতাসে বেঁচে থাকতে পারে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় শ্বাস বন্ধ করে একটু দূরে কোথাও চলে যেতে পারলে।
৩. একই গ্লাস ভাগাভাগি করার সময় মুছে নেওয়া
একাধিক মানুষ যখন এক গ্লাস বা বোতলে পানীয় ভাগাভাগি করে পান করে তখন তাতে জীবাণু সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। এক্ষেত্রে আপনি যদি পান করার আগে বোতল বা গ্লাসের ওপরের অংশ হালকা করে মুছে নেন তাহলে কিছুটা জীবাণু কমতে পারে। তবে সম্পূর্ণভাবে জীবাণু দূর করার জন্য গ্লাসটি ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়ার বিকল্প নেই।
৪. এটিএম মেশিন ব্যবহারে গ্লোভস ব্যবহার
এটিএম মেশিনের সুইচে থাকা জীবাণু থেকে বাঁচার জন্য হাতে গ্লোভস পরে নিতে আগ্রহী? এক্ষেত্রে আপনি যখন মেশিন ব্যবহার শেষে অন্য হাত দিয়ে গ্লোভসটি খুলে ফেলবেন তখনই জীবাণুগুলো গ্লোভস থেকে হাতে স্থানান্তরিত হবে। আর এক্ষেত্রে জেনে রাখা উচিত যে, অধিকাংশ ঠাণ্ডা-জ্বরের জন্য দায়ী জীবাণু একদিন কাপড় শুকিয়ে নিলেই মারা যায়। তাই গ্লোভস ব্যবহার করলে আপনার লক্ষ্য রাখতে হবে পরবর্তীতে  যেন জীবাণুগুলো হাতে চলে আসার সুযোগ না পায়।
৫. হাই কমোডের ওপর আলগা হয়ে বসা
আপনি যদি টয়লেট ব্যবহার করতে গিয়ে হাই কমোডের ওপর আলগা হয়ে বসেন তাহলে তা আপনার মেরুদণ্ড ও পিঠের ব্যথা হতে পারে। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন টয়লেটে পোর্সেলিনের তৈরি সিট ব্যবহৃত হলে তাতে জীবাণু বাঁচতে পারে না। এছাড়া বহু মানুষ ব্যবহৃত টয়লেট হলে তাতে বসার আগে টয়লেট পেপার দিয়ে নেওয়া যেতে পারে। 

রোগ-জীবাণু প্রতিরোধের জন্য স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ার বিকল্প নেই। মারাত্মক নানা রোগ থেকে নিজেকে রক্ষার জন্যও নানা স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়া প্রয়োজন। কিন্তু আমরা এজন্য এমন কিছু অভ্যাস গড়ে তুলেছি, যে অভ্যাসগুলো বাস্তবে কোনো কাজে লাগে না। এ লেখায় রয়েছে তেমন কয়েকটি অভ্যাসের কথা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
১. বাথরুম ফ্ল্যাশ করতে পায়ের ব্যবহার
আপনার বাথরুমের দরজা সবচেয়ে জীবাণুযুক্ত একটি এলাকা। দরজার হাতলে থাকতে পারে অসংখ্য জীবাণু। আর আপনার দরজার হাতল খোলার জন্য হাত ব্যবহার করতেই হবে। তাই ফ্ল্যাশ হাত দিয়ে ব্যবহার না করলেও তাতে জীবাণু সংক্রমণের আশঙ্কা থেকেই যায়। এক্ষেত্রে সন্দেহ থাকলে হাতে একটি পরিষ্কার টিসু পেপার রেখে তা দিয়ে দরজা খোলা বা ফ্ল্যাশ ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া অল্প কিংবা বেশি, যে সময়ের জন্যই বাথরুম যান না কেন, সেখান থেকে বের হওয়ার পর হাত ভালোভাবে সাবান দিয়ে ধোয়ার বিকল্প নেই।
২. কেউ হাঁচি দেওয়ার সময় নাক বন্ধ করে
আশপাশের ব্যক্তিরা যদি হাঁচি দেয় তাহলে তার মাধ্যমে আপনার দেহেও জীবাণু সংক্রমিত হতে পারে। এক্ষেত্রে কেউ হাঁচি দিলে আপনি যদি শ্বাস বন্ধ করে নেন তাহলে কি কার্যকরভাবে জীবাণু প্রতিরোধ করা যাবে? এ প্রশ্নে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেউ হাঁচি দিলে বাতাসে যে জীবাণু ছড়ায় তা প্রতিরোধ করতে হলে বেশ কিছুক্ষণ শ্বাস বন্ধ করে থাকতে হবে। কারণ জীবাণুগুলো বেশ কিছুক্ষণ বাতাসে বেঁচে থাকতে পারে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় শ্বাস বন্ধ করে একটু দূরে কোথাও চলে যেতে পারলে।
৩. একই গ্লাস ভাগাভাগি করার সময় মুছে নেওয়া
একাধিক মানুষ যখন এক গ্লাস বা বোতলে পানীয় ভাগাভাগি করে পান করে তখন তাতে জীবাণু সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। এক্ষেত্রে আপনি যদি পান করার আগে বোতল বা গ্লাসের ওপরের অংশ হালকা করে মুছে নেন তাহলে কিছুটা জীবাণু কমতে পারে। তবে সম্পূর্ণভাবে জীবাণু দূর করার জন্য গ্লাসটি ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়ার বিকল্প নেই।
৪. এটিএম মেশিন ব্যবহারে গ্লোভস ব্যবহার
এটিএম মেশিনের সুইচে থাকা জীবাণু থেকে বাঁচার জন্য হাতে গ্লোভস পরে নিতে আগ্রহী? এক্ষেত্রে আপনি যখন মেশিন ব্যবহার শেষে অন্য হাত দিয়ে গ্লোভসটি খুলে ফেলবেন তখনই জীবাণুগুলো গ্লোভস থেকে হাতে স্থানান্তরিত হবে। আর এক্ষেত্রে জেনে রাখা উচিত যে, অধিকাংশ ঠাণ্ডা-জ্বরের জন্য দায়ী জীবাণু একদিন কাপড় শুকিয়ে নিলেই মারা যায়। তাই গ্লোভস ব্যবহার করলে আপনার লক্ষ্য রাখতে হবে পরবর্তীতে  যেন জীবাণুগুলো হাতে চলে আসার সুযোগ না পায়।
৫. হাই কমোডের ওপর আলগা হয়ে বসা
আপনি যদি টয়লেট ব্যবহার করতে গিয়ে হাই কমোডের ওপর আলগা হয়ে বসেন তাহলে তা আপনার মেরুদণ্ড ও পিঠের ব্যথা হতে পারে। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন টয়লেটে পোর্সেলিনের তৈরি সিট ব্যবহৃত হলে তাতে জীবাণু বাঁচতে পারে না। এছাড়া বহু মানুষ ব্যবহৃত টয়লেট হলে তাতে বসার আগে টয়লেট পেপার দিয়ে নেওয়া যেতে পারে। - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/lifestyle/2016/03/11/334707#sthash.uZXIwv9C.dpuf