Monday 18th of December 2017 03:58:11 AM
 
  Top News:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহারে দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে----মো:নাসির  |  দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ৫টি সহজ উপায়  |  ৫ মিনিটের কম সময়ে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়  |  Beat Diabetes: 4 Ways to Prevent Type 2 Diabetes  |  নারীদের সফলতার পেছনে রয়েছে এই ৩টি কারণ  |  পাঁচ বদভ্যাসে ক্ষুধা নষ্ট  |  এই খাবারগুলো খালি পেটে খাবেন না  |  রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার এ কারণটি জানেন কি?  |  কম খরচে বিদেশ ভ্রমণে এশিয়ার সেরা ৭  |  শুধু ছেলেরাই নয়, মেয়েদেরকেও দিতে হবে প্রেমের প্রস্তাব   |  উৎকৃষ্ট সব অভ্যাস যাতে মেলে সুখ  |  যে ৪টি কারণে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়  |  মেঘদূত - জেবু নজরুল ইসলাম  |  3 Things Not To Say To Your Toddler  |   Men lose their minds speaking to pretty women  |  Lessons From a Marriage  |  চুইং গামে কী রয়েছে জানেন কি?  |  নিজেই তৈরি করে নিন দারুচিনি দিয়ে মাউথ ওয়াশ  |  সুস্থ থাকুন বৃষ্টি-বাদলায়  |  অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সামলে উঠুন ৪টি উপায়ে  |  
 
 

শিক্ষক লাঞ্ছনার শেষ কোথায় = ড. মীজানুর রহমান

May 29, 2016, 9:42 AM, Hits: 287

 

স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের লোকজনের উপস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে কানে ধরে ওঠবস করানোর ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, নারায়ণগঞ্জ ঢাকা থেকে কতদূর? কিংবা বাংলাদেশ থেকেই বা কতদূর নারায়ণগঞ্জ? সেখানে গণমাধ্যম তথা টিভি চ্যানেল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক আছে কিনা? এ ঘটনায় সারা জাতি নিন্দা জানাচ্ছে এবং কঠোর ভাষায় ভর্ৎসনা দিচ্ছে। সরকারের প্রায় সব মন্ত্রী এ ঘটনাকে একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য করছেন। সেই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও চাচ্ছেন তারা। সেই মুহূর্তেও স্থানীয় সংসদ সদস্য তার কৃতকর্মের জন্য এতটুকুও লজ্জিত নন। এমন অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার জন্য ওই সংসদ সদস্যের নিজেরই কান ধরে জাতির সামনে ক্ষমা চাওয়ার উচিত ছিল। কিন্তু আমরা দেখলাম, ঘটনাটি গণমাধ্যমে আসার পর পরই ওই দিন ঠিক বিকালে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি ওই শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করেছে। ভাবতে অবাক লাগে, এটা কী করে সম্ভব! অবশ্য পরবর্তী সময়ে শিক্ষামন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপে শ্যামল কান্তি ভক্ত তার স্বপদে বহাল হয়েছেন এবং স্কুল ম্যানেজিং কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

আমাদের সহকর্মী ওই শিক্ষককে যেভাবে লাঞ্ছিত এবং তার মর্যাদাহানি করা হয়েছে, তা কোনোক্রমেই এই সভ্য সমাজে বরদাশত করা যায় না। শিক্ষক অপমানের এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে। দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমেও ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পাচ্ছে। কিন্তু এর বাইরেও আমাদের সমাজে আরও বিভিন্ন শিক্ষক নানাভাবে অপমানিত হচ্ছেন। সরকারের শিক্ষা অধিদপ্তরগুলোয়, যেখানে শিক্ষকদের নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি, পেনশন ও গ্রাচুইটির বিষয়গুলো দেখা হয়, সেখানে গিয়ে দেখা যায় শিক্ষকরা ভয়াবহ রকমের লাঞ্ছনার শিকার। সেখানে শিক্ষককে কান ধরে ওঠবস করানো হচ্ছে কিনা তা দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু প্রশাসনের রন্ধে রন্ধে যত ধরনের অবমাননা রয়েছে, তার শিকার হন শিক্ষকরা। অনেক জায়গায় স্কুল ম্যানেজিং কমিটি চরম স্বেচ্ছাচারী, ভিন্ন মতের শিক্ষকরা আছেনÑ এমন সব জায়গায় আমাদের শিক্ষকরা প্রায়ই লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছেন। আমি আশা করি, নারায়ণগঞ্জের ওই ঘটনার মধ্য দিয়ে এক ধরনের জাগরণ সৃষ্টি হোক। এ ঘটনায় আমরা অবশ্যই শাস্তি দাবি করি। সেই সঙ্গে যেখানে যেখানে শিক্ষক সমাজ লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছে, তার প্রতিকারও আমরা শিক্ষামন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবার কাছে চাই।

আমরা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। একই সঙ্গে আমরা ধর্মীয় ক্ষেত্রেও প্রযুক্তির ব্যবহার করছি। একসময় চট্টগ্রামের হাটহাজারী এলাকায় ইমাম ও মুসল্লিদের মধ্যে মসজিদে মাইকের ব্যবহার নিয়ে দ্বিধাবিভক্তি ছিল। আজান দেওয়ার কাজে মাইক ব্যবহার করা হবে কিনা, এ নিয়ে বিতর্ক চলছিল। বিষয়টি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনাও আমরা দেখেছি। কিন্তু এটি নিয়ে আমরা এখন আর কোনো প্রশ্ন করি না। কারণ প্রযুক্তি এসেছে, কাজেই যেসব ধর্মীয় কাজে প্রযুক্তির ব্যবহার করা যায়, সেখানে আমরা তা করব। কিন্তু মসজিদের এই মাইকের শতভাগ দখলে রয়েছেন মসজিদের ইমাম ও মসজিদ ম্যানেজিং কমিটির লোকজন। সেখানে প্রশ্ন হলো, এ মাইকগুলোর নিয়ন্ত্রণ কে করে? এ মাইকের ব্যবহার ছিল কেবল মসজিদে আজান দেওয়ার কাজে, যাতে মুসল্লিরা মসজিদে আসেন। এ ছাড়া মাইক খুতবার কাজে ব্যবহার করা হয়।

কিন্তু প্রায়ই দেখা যায়, এই মাইক ব্যবহার করে প্রচারণা চালিয়ে বিভিন্ন রকমের হিংসাত্মক কর্মকা-ের ইন্ধন দেওয়া হচ্ছে। মসজিদের মাইকের মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে রামুর শত বছরের পুরনো বৌদ্ধমন্দিরগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায় হওয়ার পর এই মাইক ব্যবহার করে উত্তরবঙ্গে বিশেষ করে কুড়িগ্রাম, রংপুর, বগুড়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষকে সাঈদীর চন্দ্রাভিযানের গুজব ছড়িয়ে উত্তেজিত করা হয়েছিল। কেবল তাই নয়, হিংসাত্মক কর্মকা-ে আসার জন্য মানুষকে ঘর থেকে বের হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। অনেক সময় ডাকাত ধরার নাম করে একসঙ্গে পাঁচ-সাতজন লোককে হত্যা করা হয় এই মাইক ব্যবহার করে। মাইকের অকল্যাণকর ও অপব্যবহার আমরা প্রায়ই দেখেছি। মাইক কেবল ধর্মীয় তথা মসজিদের কাজে ব্যবহার করা হোক এবং মাইক থেকে আর অন্য কোনো ঘোষণা যেন না দেওয়া যায়, সে বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তথ্যমন্ত্রী অবিলম্বে দেখবেন বলে আশা করি। এই মাইকের অপব্যবহার আমরা যদি রোধ করতে না পারি, তাহলে অনেক ঘটনাই ঘটবে। ধর্মীয় কাজ ছাড়া অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কাজে মসজিদের মাইক ব্যবহার ধর্মীয়ভাবেও মেনে নেওয়া যায় না। কোনো মাইক থেকে অসঙ্গতিপূর্ণ ঘোষণা এলে তার দায়-দায়িত্ব সেই মসজিদ কমিটি ও মসজিদের ইমামকে নিতে হবে। এ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারলে মাইক তথা ধর্মের কাজে ব্যবহৃত প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ করা যাবে। মাইক ব্যবহার করে বিভিন্ন ঘটনাই এ দেশে ঘটছে। বিভিন্ন সালিশ-বৈঠকসহ নানা অপকাজে এই মাইক ব্যবহার করা হচ্ছে। অবিলম্বে মাইকের অপব্যবহার রোধে সরকারের নিদের্শনা দেওয়া উচিত।

নারায়ণগঞ্জে যারা এ ঘটনা সংঘটিত করেছে তারা অত্যন্ত শক্তিশালী। তাদের পেছনে ব্যবসায়ী এবং অর্থসংশ্লিষ্ট অনেক কিছুই আছে। অনেকে ওই সংসদ সদস্যের পারিবারিক ঐতিহ্যের কথা বলেন। অবশ্যই আমাদের মুুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বিভিন্ন আন্দোলনের ইতিহাসে খান বাহাদুর ওসমানী সাহেবের পরিবার একটি পথিকৃৎ পরিবার। এর মানে এই নয়, খান বাহাদুর ওসমানি সাহেব লাইসেন্স দিয়ে গেছেন যে, তার সন্তান ও নাতিরা যা ইচ্ছা তাই করতে পারবেন এবং সে অধিকার তাদের আছে। এটা কোনোভাবেই বরদাশত করা যায় না। বাংলাদেশে রাজনৈতিক ঐতিহ্যের কারণে কেউ অপরাধ করে পার পেয়ে যাবেÑ এই রকম কোনো নীতি বা মনোভাব কোনো সভ্য সমাজে মেনে নেওয়া যায় না।

ওই সংসদ সদস্যকে তার কৃতকর্মের জন্য অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে। সেই শাস্তি অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক হতে হবে। যাদের নির্দেশে ওই শিক্ষককে কান ধরে ওঠবস করানো হয়েছে, তাকে দু-চার বছর জেল দিলে হবে না। কারণ তাদের অনেকে অনেকবার জেল খেটেছে। বরং মিডিয়ার সামনে প্রকাশ্যে তাকে অপমানিত শিক্ষক ও জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। কারণ আমি বলি, কেবল গ্রেপ্তার ও জেল দিয়ে এ ধরনের ঘটনার প্রতিকার হবে না। এটি হাইকোর্টের আইন অনুসারে হবে না, এটা বরং আমাদের সালিশের মাধ্যমেই করতে হবে। সেখানে সরকারের উচ্চপর্যায়ের নেতৃবৃন্দ থাকবেন এবং অভিযুক্তকে ডেকে নিয়ে জনসম্মুখে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি সম্পাদন করতে হবে। তাহলে অন্তত জাতি উপযুক্ত শাস্তি দেখতে পাবে। তা না করে অভিযুক্তদের জেল দিয়ে কাজ হবে না। কারণ তারা এর আগেও জেলে ছিল। অভিযুক্ত সংসদ সদস্যের দলের শীর্ষনেতাও অর্থ আত্মসাতের দায়ে জেল খেটেছেন।

আমরা আশা করি, বর্তমান সরকার এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বাংলাদেশের সব নির্যাতিত শিক্ষকের প্রতীক শ্যামল কান্তি ভক্তের পক্ষে আমরা অবস্থান নিয়েছি। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষকরা নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন এবং প্রচুর শিক্ষক অন্যায়-অবহেলার কারণে নির্যাতিত জীবনযাপন করছেন। চাকরিচ্যুত হওয়া, পদোন্নতি না পাওয়া, কোনো রকমের জবাবদিহিতা ছাড়াই শিক্ষক চাকরিচ্যুত করার ঘটনা অহরহ ঘটছে। আর পেনশন ও গ্রাচুইটির টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক শিক্ষক মারা যাচ্ছেন, কিন্তু টাকা পাচ্ছেন না। কাজেই তাদের জন্যও ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বর্তমানে শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তের ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের মধ্য দিয়ে শিক্ষক সমাজের হারিয়ে যাওয়ার মর্যাদা ফিরে পেতে পারে।

মতাদর্শগত দিক থেকে আমাদের অনেক কিছুতেই পার্থক্য থাকে। যেমন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া। আমাদের সংবিধানের ৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ধর্মের দোহাই দিয়ে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। ইদানীং কাউকে যখন হত্যা করা হয়, তখন সবার আগে চলে আসে কী কারণে তাকে হত্যা করা হলো। তার লেখালেখি আপনারা দেখেছেন কিনা, তার ব্লকগুলো আপনারা পড়েছেন কিনা, সেখানে নবী-রাসুল সম্পর্কে অমর্যাদাকর কোনো কথা বলেছেন কিনা? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তখন আমাদের মন্ত্রীরা অতি উৎসাহী হয়ে জবাবও দেন, ‘বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব’। এতে বিষয়টির সঙ্গে মিডিয়া একটি যোগসূত্র তৈরি করে ফেলে যে, এ হত্যার পেছনে লেখালেখি জড়িত। আমরা চাই সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রীরা ও পুলিশের কর্মকর্তারা যেন এমন অপ্রাসঙ্গিক বক্তব্য না দেন। তাদের বলা উচিত, কেন একজন লোককে মারা হলো, এটা বিবেচ্য বিষয় নয়, এটা তদন্তের কাজে লাগতে পারে। কিন্তু অগ্রাধিকারের বিষয় হচ্ছে এ লোকটিকে কে হত্যা করেছে তাকে খুঁজে বের করা।’ ইসলাম থেকে শুরু করে যে কোনো ধর্মে মানুষ হত্যা মহাপাপ। এমনকি যদি কেউ নাস্তিকও হয়। পৃথিবীতের ১২০ কোটি মানুষ আছে, যারা কোনো ধর্ম মানেন না। তাদের ধর্ম নেই। এ জন্য তাদের মেরে ফেলার অধিকার আল্লাহ আমাদের দেননি।

সেই বিষয় মনে রেখে বলতে হবে হত্যাকারী কেবল হত্যাকারীই। কী কারণে হত্যা করেছে, সেটা মুখ্য বিষয় নয়। এখন কোনো ঘটনা ঘটলেই বলা হয়, ওই লোকটি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়েছে। মনোবিজ্ঞানের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, অনুভূতি হচ্ছে বিশ্বাসের প্রাথমিক স্তরমাত্র। ধর্মীয় অনুভূতি এত টনটনে হয়ে গেল, এখানে আল্লাহ সম্পর্কে কিছু বললে এতেই আল্লাহ দুর্বল হয়ে পড়ল অথবা আল্লাহ আকাশ থেকে নেমে গেলÑ এ রকম হওয়ার কোনো সম্ভাবনা আছে বলে মনে হয় না। আসলে এদের ধর্ম-বিশ্বাসটিই নড়বড়ে। যাদের ধর্ম-বিশ্বাস দৃঢ়, আল্লাহর প্রতি যাদের প্রগাঢ় বিশ্বাস আছে, তাদের ক্ষেত্রে অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে কিছুই হবে না। এতে তাদের বিশ্বাস আরও দৃঢ় হবে। বর্তমানে এই ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের নামে যেসব কর্মকা- চলছে, সে বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। অনুভূতি কাকে বলে এবং অনুভূতিতে আঘাত বলতে কী বোঝায়, তা স্পষ্ট না হলে মসজিদের মাইকের দখলদাররা মাইকে আরও অপপ্রচার চালিয়ে নানা দুর্ঘটনা ঘটাবে। এটাই বাস্তবতা।

লেখক : উপাচার্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়