Sunday 23rd of September 2018 07:26:26 PM
 
  Top News:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহারে দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে----মো:নাসির  |  দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ৫টি সহজ উপায়  |  ৫ মিনিটের কম সময়ে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়  |  Beat Diabetes: 4 Ways to Prevent Type 2 Diabetes  |  নারীদের সফলতার পেছনে রয়েছে এই ৩টি কারণ  |  পাঁচ বদভ্যাসে ক্ষুধা নষ্ট  |  এই খাবারগুলো খালি পেটে খাবেন না  |  রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার এ কারণটি জানেন কি?  |  কম খরচে বিদেশ ভ্রমণে এশিয়ার সেরা ৭  |  শুধু ছেলেরাই নয়, মেয়েদেরকেও দিতে হবে প্রেমের প্রস্তাব   |  উৎকৃষ্ট সব অভ্যাস যাতে মেলে সুখ  |  যে ৪টি কারণে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়  |  মেঘদূত - জেবু নজরুল ইসলাম  |  3 Things Not To Say To Your Toddler  |   Men lose their minds speaking to pretty women  |  Lessons From a Marriage  |  চুইং গামে কী রয়েছে জানেন কি?  |  নিজেই তৈরি করে নিন দারুচিনি দিয়ে মাউথ ওয়াশ  |  সুস্থ থাকুন বৃষ্টি-বাদলায়  |  অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সামলে উঠুন ৪টি উপায়ে  |  
 
 

তথ্যকে মৌলিক অধিকার করা উচিত : জবি উপাচার্য

May 30, 2016, 9:37 AM, Hits: 555

 
এনজেবিডি নিউজ :  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেছেন, ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার বড় হাতিয়ার হচ্ছে তথ্য। যতদিন আমরা তথ্যকে উন্মুক্ত করতো না পারবো, ততদিন যত কথাই বলি বঞ্চনা থেকে মুক্তি ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক অবক্ষয় থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারবো না।

সেজন্য তথ্যকে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের মত মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করা উচিত মন্তব্য করে তিনি বলেন, অন্যথায় আমাদের এগিয়ে যাওয়ার নতুন কোন সম্ভাবনা নেই।

সোমবার দুপুরে জবি কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে তথ্য কমিশনের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের উদ্যোগে তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

জবি ভিসি বলেন, আইনটি কার্যকর করতে চাইলে একটি জাতীয় তথ্যভান্ডার তৈরি করতে হবে। কারণ জনগণ অফিসে অফিসে ঘুরে তথ্য পাবে না। এভাবে হয়তো গুটিকয়েক লোক তথ্য পাবে, কিন্তু তৃণমূলের মানুষের কোন লাভ হবে না। সেজন্য জাতীয় তথ্যভাণ্ডার করলে মানুষ এখান থেকেই সব তথ্য পাবে, অফিসে অফিসে তাদের যেতে হবে না।

সেমিনারে মূল আলোচনা করেন তথ্য কমিশনার অধ্যাপক ড. খুরশীদা বেগম সাঈদ। তিনি বলেন, তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সকল জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত হবে। এতে করে রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের মতামত প্রতিফলিত হবে এবং দুর্নীতি প্রতিরোধের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নের যাত্রা আরো অগ্রসর হবে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে আরো বলেন, আমাদেরকে তথ্য গোপন করার অপসংস্কৃতি ভেঙ্গে দিতে হবে। এই আইনের সূচনা হলে নতুন প্রজন্মের হাতে তা আরও সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।

অধ্যাপক ড. হেলেনা ফেরদৌসীর সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য প্রদান করেন দৈনিক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান, জবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়া,  তথ্য কমিশনের পরিচালক জাফর রাজা চৌধুরী, জবি সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. প্রিয়ব্রত পাল।