Thursday 18th of October 2018 09:21:00 AM
 
  Top News:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহারে দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে----মো:নাসির  |  দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ৫টি সহজ উপায়  |  ৫ মিনিটের কম সময়ে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়  |  Beat Diabetes: 4 Ways to Prevent Type 2 Diabetes  |  নারীদের সফলতার পেছনে রয়েছে এই ৩টি কারণ  |  পাঁচ বদভ্যাসে ক্ষুধা নষ্ট  |  এই খাবারগুলো খালি পেটে খাবেন না  |  রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার এ কারণটি জানেন কি?  |  কম খরচে বিদেশ ভ্রমণে এশিয়ার সেরা ৭  |  শুধু ছেলেরাই নয়, মেয়েদেরকেও দিতে হবে প্রেমের প্রস্তাব   |  উৎকৃষ্ট সব অভ্যাস যাতে মেলে সুখ  |  যে ৪টি কারণে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়  |  মেঘদূত - জেবু নজরুল ইসলাম  |  3 Things Not To Say To Your Toddler  |   Men lose their minds speaking to pretty women  |  Lessons From a Marriage  |  চুইং গামে কী রয়েছে জানেন কি?  |  নিজেই তৈরি করে নিন দারুচিনি দিয়ে মাউথ ওয়াশ  |  সুস্থ থাকুন বৃষ্টি-বাদলায়  |  অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সামলে উঠুন ৪টি উপায়ে  |  
 
 

প্রতিষ্ঠানে ব্যবস্থাপনায় সফল

June 2, 2016, 2:06 AM, Hits: 495

 

এনজেবিডি নিউজ : পরিবর্তন ভালো কিছু বয়ে আনতে পারে। কিন্তু এটা খুব কঠিন। ব্যবসায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনে তা প্রতিষ্ঠিত করা অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। এক গবেষণায় বলা হয়, পরিবর্তনের ৭০ শতাংশ উদ্যোগ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। ছোট বা বড় যে পরিবর্তনই আনুন না কেন, পরিবেশ বা সংস্কৃতি বদলে দেওয়া খুব সহজ কথা নয়। বিশেষ করে যখন ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনতে হয়, তখন নেতৃত্বস্থানীয়দেরও ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বাজে ধরনের ভুল বহু নেতার ক্যারিয়ার শেষ করে দিয়েছে। কাজেই এ ক্ষেত্রে খুবই সাবধান ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন হতে হবে। এখানে বিশেষজ্ঞরা দিচ্ছেন কিছু ধারণা।  

১. পরিবর্তন কেন দরকার? : যদি নাই বোঝা যায় যে, পরিবর্তন দরকার কেন, তবে সে পরিবর্তন আসলে কোনো লাভ নেই। অথবা এখানে কোনো পরিবর্তন আদৌ আসবে না। সাধারণত ব্যর্থতায় ডুবতে থাকে কোনো প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার পরিবর্তন আনয়নের কাজটি অনেক সহজ বলে মনে হয়। কিন্তু অন্যান্য ক্ষেত্রে পরিবর্তন কেন আনতে হবে তা যদি না জানা যায়, তবে উদ্যোগ ব্যর্থ হবে। প্রথমেই নেতৃত্বস্থায়ীদের অনুধাবন করতে হবে, এ পরিবর্তনে কোথাও কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না। অনেক কারণেই পরিবর্তন আসতে পারে। যেমন- হয়তো নিজেদের যতটা সুষ্ঠু ভাবছেন ততটা সুন্দর ব্যবস্থা আপনাদের নেই। অথবা প্রতিষ্ঠা পাওয়া কোনো ভুল শুধরাতে এর প্রয়োজন। প্রাথমিকভাবে পরিবর্তন অনেকের কাছে অস্বস্তিকর বলে মনে হতে পারে। তবে এতে নেতিবাচক দিক না থাকলে বাধা কেটে যাবে।

২. এ পরিবর্তন কোথায় নিয়ে যাবে? : দ্বিতীয় যে বিষয়ে চিন্তা করতে হবে তা হলো, এ পরিবর্তন আমাদের কোথায় নিয়ে যাবে? অর্থাৎ, এ উদ্যোগের ফলাফলটা কি হতে পারে? মনে হতে পারে, পরিবর্তনে বর্তমান অবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটবে। ভবিষ্যতটা অনেক আলোকিত মনে হতে পারে। কিন্তু ভবিষ্যতের সূক্ষ্ম বিষয়গুলো দৃষ্টি এড়িয়ে গেলো নাকি তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। হিসাব ভুল হলে গোলমাল লেগে যাবে। বর্তমানে বসেই ভবিষ্যতে নিজেকে বসিয়ে উপলব্ধি করা যাবে, পরিবর্তনের পর অবস্থা কোন দিকে মোড় নিতে পারে।

৩. কিভাব তা পেতে পারি? : তৃতীয় স্তরে পরিবর্তনে খাপ খাইয়ে নিতে অফিস সংস্কৃতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে। কর্মীবাহিনীকে আগে থেকেই আগত পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে। বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যতে পরিবেশের পার্থক্য হঠাৎ করে আসলে তা খারাপ কিছু ঘটিয়ে দিতে পারে। এই ফারাক পূরণে ইতিবাচক সংস্কৃতির চর্চা চালিয়ে যেতে হবে। এতে করে সবাই পরিবর্তনকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করে নিতে পারবেন। পরিবর্তনের আগে ও পরের পরিস্থিতির মধ্যে সেতুবন্ধন না জুড়ে দিতে পারলে গোটা পরিকল্পনাই ব্যর্থ হবে।