Saturday 16th of December 2017 07:35:17 PM
 
  Top News:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহারে দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে----মো:নাসির  |  দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ৫টি সহজ উপায়  |  ৫ মিনিটের কম সময়ে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়  |  Beat Diabetes: 4 Ways to Prevent Type 2 Diabetes  |  নারীদের সফলতার পেছনে রয়েছে এই ৩টি কারণ  |  পাঁচ বদভ্যাসে ক্ষুধা নষ্ট  |  এই খাবারগুলো খালি পেটে খাবেন না  |  রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার এ কারণটি জানেন কি?  |  কম খরচে বিদেশ ভ্রমণে এশিয়ার সেরা ৭  |  শুধু ছেলেরাই নয়, মেয়েদেরকেও দিতে হবে প্রেমের প্রস্তাব   |  উৎকৃষ্ট সব অভ্যাস যাতে মেলে সুখ  |  যে ৪টি কারণে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়  |  মেঘদূত - জেবু নজরুল ইসলাম  |  3 Things Not To Say To Your Toddler  |   Men lose their minds speaking to pretty women  |  Lessons From a Marriage  |  চুইং গামে কী রয়েছে জানেন কি?  |  নিজেই তৈরি করে নিন দারুচিনি দিয়ে মাউথ ওয়াশ  |  সুস্থ থাকুন বৃষ্টি-বাদলায়  |  অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সামলে উঠুন ৪টি উপায়ে  |  
 
 

ভয়ংকর বস না হওয়ার উপায় কী?

June 2, 2016, 2:18 AM, Hits: 283

 
এনজেবিডি নিউজ : কর্মক্ষেত্রে অনেকেই ভয়ংকর বসের পাল্লায় পড়েছেন। ঠিক কোন কারণে তারা ভয়ংকর হয়ে ওঠেন কিংবা অন্যদের কাছে ভয়ংকর হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেন তা নিয়ে অনেকেরই স্পষ্ট ধারণা থাকে না। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হাফিংটন পোস্ট।
তবে এ বিষয়ে ক্যারিয়ার বিষয়ে সংস্থা এমপ্লয়ি ম্যাটার্সের নাতাশা হাওকার বলেন এ বিষয়টি প্রায়ই খুব বিভ্রান্তিকর হয়ে ওঠে। তার নিজেরও এ সম্পর্কে অভিজ্ঞতা রয়েছে বলে জানান তিনি।
হাওকার বলেন, ‘এটি শুরু হয়েছিল আমার ইন্টারভিউ থেকেই। সে সময় তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে আমার বাবা কী করেন। এ প্রসঙ্গে আমি বলেছিলাম তিনি একজন মার্চেন্ট ব্যাংকার। সে সময় তিনি বলেছিলেন, তাহলে এখানে যে উচ্ছিষ্টরা আসে, তাদের তুলনায় আমি ভালো। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমি তার নানা ধরনের দুর্ব্যবহারের শিকার হয়েছিলাম। তার অনেকগুলোই ছিল খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, এ বিষয়টি বহু ব্যবসার ক্ষেত্রেও ঘটেছে। কারণ এ ধরনের বসেরা তাদের কাজে খুবই দক্ষ হয়ে থাকেন। ফলে তাদের কেউ স্পর্শ করতে পারে না। সাধারণ কর্মীরা তাদের ভয় পায়। বহু ক্ষেত্রেই এমন বসের দেখা পাওয়া যায়। তাদের অধীনে যারা কাজ করতে চায় না তাদের অধীনস্থ কর্মীদেরই সে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করতে হয়।’
নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী মাইক ইরভিং বলেন, বহু উপায়েই একজন বস ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারেন। তিনি বলেন, ‘এটি আপনার দৃষ্টিভঙ্গির ওপর নির্ভর করবে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হতে পারে পারে ছোট ছোট বিষয় নিয়ন্ত্রণ এবং এ ধরনের কাজ, যেখানে কর্মীদের কোনো বিষয় পছন্দ করার স্বাধীনতা থাকে না। একজন ভয়ংকর বস প্রায়ই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে এবং খবরদারি করতে পছন্দ করেন। এ কারণে তারা কাউকে কোনো বিষয় চিন্তা করতেও দেন না। এছাড়া তারা অন্যের কথা শোনেন না এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। এতে নিজের টিমের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগে সমস্যা সৃষ্টি হয়।’
তবে এ ধরনের বসেরা অনেকেই তাদের এ বড় ধরনের সমস্যাটির বিষয়ে কোনো ধারণা রাখেন না। ফলে এ সমস্যা লাঘবও হয় না।
এ বিষয়ে ইরভিং আরও বলেন, ‘আমাদের সবারই চারটি অদৃশ্য পেশি রয়েছে- সচেতনতা, অভিপ্রায়, আগ্রহ এবং মনোযোগ। কেউ যদি নিজে অন্যের দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়ে সচেতন না হয় তাহলে এমনটা ঘটতে পারে। এছাড়া তারা যদি এ বিষয়ে আগ্রহী না হয় কিংবা কোনো মনোযোগ না দেয় তাহলেও এমনটা ঘটতে পারে।’
এখন প্রশ্ন হলো আপনি এমন কোনো বস হয়ে উঠেছেন কি না, তা বুঝবেন কিভাবে? এ প্রসঙ্গে হাওকার বলেন, ‘আপনি যদি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক কিংবা বস হন এবং আপনার অধীনস্থ কর্মীরা চাকরি ছাড়তে থাকে তাহলে সে বিষয়টির কারণ অনুসন্ধান করুন। এক্ষেত্রে পৃথক প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নিয়ে কর্মীদের মাঝে জরিপ পরিচালনা করতে পারেন, যেখানে নিশ্চিন্তে কর্মীরা তাদের মনোভাব প্রকাশ করবেন।’
আপনি যদি এমন বস হন তাহলে এ সমস্যা সমাধানে সবার আগে কর্মীদের কথা শুনতে মনোযোগ দিতে হবে। এছাড়া চোখকান খোলা রেখে পরিস্থিতি যাচাই করা ও নিজের আচরণে সংযত হওয়া অতি গুরুত্বপূর্ণ। কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়াও প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
কর্মীরা যদি এমন বসের মুখোমুখি হয় তাহলে কী করবেন? অনেকেই নিরবে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করেন। তবে বিশেষজ্ঞরা তা করতে উৎসাহ দিচ্ছেন না। যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। এছাড়া এক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। 

কর্মক্ষেত্রে অনেকেই ভয়ংকর বসের পাল্লায় পড়েছেন। ঠিক কোন কারণে তারা ভয়ংকর হয়ে ওঠেন কিংবা অন্যদের কাছে ভয়ংকর হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেন তা নিয়ে অনেকেরই স্পষ্ট ধারণা থাকে না। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হাফিংটন পোস্ট।
তবে এ বিষয়ে ক্যারিয়ার বিষয়ে সংস্থা এমপ্লয়ি ম্যাটার্সের নাতাশা হাওকার বলেন এ বিষয়টি প্রায়ই খুব বিভ্রান্তিকর হয়ে ওঠে। তার নিজেরও এ সম্পর্কে অভিজ্ঞতা রয়েছে বলে জানান তিনি।
হাওকার বলেন, ‘এটি শুরু হয়েছিল আমার ইন্টারভিউ থেকেই। সে সময় তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে আমার বাবা কী করেন। এ প্রসঙ্গে আমি বলেছিলাম তিনি একজন মার্চেন্ট ব্যাংকার। সে সময় তিনি বলেছিলেন, তাহলে এখানে যে উচ্ছিষ্টরা আসে, তাদের তুলনায় আমি ভালো। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমি তার নানা ধরনের দুর্ব্যবহারের শিকার হয়েছিলাম। তার অনেকগুলোই ছিল খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, এ বিষয়টি বহু ব্যবসার ক্ষেত্রেও ঘটেছে। কারণ এ ধরনের বসেরা তাদের কাজে খুবই দক্ষ হয়ে থাকেন। ফলে তাদের কেউ স্পর্শ করতে পারে না। সাধারণ কর্মীরা তাদের ভয় পায়। বহু ক্ষেত্রেই এমন বসের দেখা পাওয়া যায়। তাদের অধীনে যারা কাজ করতে চায় না তাদের অধীনস্থ কর্মীদেরই সে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করতে হয়।’
নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী মাইক ইরভিং বলেন, বহু উপায়েই একজন বস ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারেন। তিনি বলেন, ‘এটি আপনার দৃষ্টিভঙ্গির ওপর নির্ভর করবে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হতে পারে পারে ছোট ছোট বিষয় নিয়ন্ত্রণ এবং এ ধরনের কাজ, যেখানে কর্মীদের কোনো বিষয় পছন্দ করার স্বাধীনতা থাকে না। একজন ভয়ংকর বস প্রায়ই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে এবং খবরদারি করতে পছন্দ করেন। এ কারণে তারা কাউকে কোনো বিষয় চিন্তা করতেও দেন না। এছাড়া তারা অন্যের কথা শোনেন না এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। এতে নিজের টিমের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগে সমস্যা সৃষ্টি হয়।’
তবে এ ধরনের বসেরা অনেকেই তাদের এ বড় ধরনের সমস্যাটির বিষয়ে কোনো ধারণা রাখেন না। ফলে এ সমস্যা লাঘবও হয় না।
এ বিষয়ে ইরভিং আরও বলেন, ‘আমাদের সবারই চারটি অদৃশ্য পেশি রয়েছে- সচেতনতা, অভিপ্রায়, আগ্রহ এবং মনোযোগ। কেউ যদি নিজে অন্যের দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়ে সচেতন না হয় তাহলে এমনটা ঘটতে পারে। এছাড়া তারা যদি এ বিষয়ে আগ্রহী না হয় কিংবা কোনো মনোযোগ না দেয় তাহলেও এমনটা ঘটতে পারে।’
এখন প্রশ্ন হলো আপনি এমন কোনো বস হয়ে উঠেছেন কি না, তা বুঝবেন কিভাবে? এ প্রসঙ্গে হাওকার বলেন, ‘আপনি যদি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক কিংবা বস হন এবং আপনার অধীনস্থ কর্মীরা চাকরি ছাড়তে থাকে তাহলে সে বিষয়টির কারণ অনুসন্ধান করুন। এক্ষেত্রে পৃথক প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নিয়ে কর্মীদের মাঝে জরিপ পরিচালনা করতে পারেন, যেখানে নিশ্চিন্তে কর্মীরা তাদের মনোভাব প্রকাশ করবেন।’
আপনি যদি এমন বস হন তাহলে এ সমস্যা সমাধানে সবার আগে কর্মীদের কথা শুনতে মনোযোগ দিতে হবে। এছাড়া চোখকান খোলা রেখে পরিস্থিতি যাচাই করা ও নিজের আচরণে সংযত হওয়া অতি গুরুত্বপূর্ণ। কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়াও প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
কর্মীরা যদি এমন বসের মুখোমুখি হয় তাহলে কী করবেন? অনেকেই নিরবে প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করেন। তবে বিশেষজ্ঞরা তা করতে উৎসাহ দিচ্ছেন না। যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। এছাড়া এক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/lifestyle/2016/05/28/363412#sthash.w7oVzOru.dpuf