Friday 15th of December 2017 09:10:44 AM
 
  Top News:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহারে দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে----মো:নাসির  |  দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ৫টি সহজ উপায়  |  ৫ মিনিটের কম সময়ে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়  |  Beat Diabetes: 4 Ways to Prevent Type 2 Diabetes  |  নারীদের সফলতার পেছনে রয়েছে এই ৩টি কারণ  |  পাঁচ বদভ্যাসে ক্ষুধা নষ্ট  |  এই খাবারগুলো খালি পেটে খাবেন না  |  রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার এ কারণটি জানেন কি?  |  কম খরচে বিদেশ ভ্রমণে এশিয়ার সেরা ৭  |  শুধু ছেলেরাই নয়, মেয়েদেরকেও দিতে হবে প্রেমের প্রস্তাব   |  উৎকৃষ্ট সব অভ্যাস যাতে মেলে সুখ  |  যে ৪টি কারণে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়  |  মেঘদূত - জেবু নজরুল ইসলাম  |  3 Things Not To Say To Your Toddler  |   Men lose their minds speaking to pretty women  |  Lessons From a Marriage  |  চুইং গামে কী রয়েছে জানেন কি?  |  নিজেই তৈরি করে নিন দারুচিনি দিয়ে মাউথ ওয়াশ  |  সুস্থ থাকুন বৃষ্টি-বাদলায়  |  অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সামলে উঠুন ৪টি উপায়ে  |  
 
 

পাঁচ বদভ্যাসে ক্ষুধা নষ্ট

June 3, 2016, 3:29 AM, Hits: 541

 
এনজেবিডি নিউজ :
১. কেচাপের স্রোতে ভাসা
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই বা যেকোনো ভাজা-পোড়া কেচাপ ছাড়া চলেই না। সবাই  কেচাপকে দারুণ অ্যাপিটাইজার বলে গ্রহণ করে নিয়েছেন। এটি খেতে মেইন কোর্স, ডেজার্ট বা কোনো পানীয় বাধা হয় না। কিন্তু যে ধরনের কেচাপই খান না কেন, তা খাওয়ার আগ্রহ নষ্ট করে দেয়। ক্ষুধামন্দা দেখা দেয় দ্রুত।
২. সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা
অনেকেই আছেন প্রবল ক্ষুধা নিয়ে রেস্টুরেন্টে ছুটে যান। কিন্তু কী খাবেন তা কখনোই ঠিক করতে পারেন না। এমন সিদ্ধান্তহীনতায় হিমশিম খাওয়ার পর অবশেষে আগের মতো খাওয়ার রুচি আর থাকে না। কয়েকজন মিলে খেতে গেলে এবং ওই দলে এমন একজন থাকলেও একই বিষয় ঘটে যেতে পারে।
৩. কাঁটাচামচ আর চাকু
কোনো অনুষ্ঠান বা রেস্টুরেন্টে অনেকে নিয়ম মেনে খেতে চান। এর জন্য হাত নয়, কাঁটা চামচ ও চাকুর ব্যবহারকেই একমাত্র অবলম্বন বলে ধরে নেন। অথচ মজা করে খাওয়ার সময় এগুলোর ব্যবহার নিঃসন্দেহে খাওয়ার তাগাদা শূন্যের কোঠায় নিয়ে যায়। তখন খাবারটা আর উপভোগ্য থাকে না। কাজেই হাত পরিষ্কার করে ধুয়ে খাবারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তেই পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
৪. অভদ্রোচিত আচরণ
এমন মানুষের অভাব নেই। তাঁরা রেস্টুরেন্টে গিয়ে ওয়েটারদের সঙ্গে বাজে ব্যবহার করেন। খেতে গিয়ে এর চেয়ে অভদ্রোচিত আচরণ আর হয় না। অথচ তাঁরা জানেন না, আবেগ মানুষের আচরণে ফুটে ওঠে। যেকোনো আবেগ মানুষের ইচ্ছা-অনিচ্ছার জন্ম দিতে পারে। মেজাজ খারাপ করে খেতে বসলে ক্ষুধা চলে যায় বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।
৫. সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তি
এমনকি সোশ্যাল মিডিয়াও ক্ষুধামন্দার কারণ হতে পারে।  ভোজনরসিকরা খাওয়ার সময় স্মার্টফোনটি প্রয়োজনে বন্ধ করে রাখেন। বিশেষ করে ইন্সটাগ্রামে দেওয়া বিভিন্ন খাবারের পোস্ট বেশি বেশি দেখা হলে খাওয়ার ইচ্ছা চলে যায়। তা ছাড়া কার জীবনে কখন কী ঘটে চলেছে ইত্যাদি দেখতে দেখতে পেটপূজা সম্পন্ন হয় না। 

১. কেচাপের স্রোতে ভাসা
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই বা যেকোনো ভাজা-পোড়া কেচাপ ছাড়া চলেই না। সবাই  কেচাপকে দারুণ অ্যাপিটাইজার বলে গ্রহণ করে নিয়েছেন। এটি খেতে মেইন কোর্স, ডেজার্ট বা কোনো পানীয় বাধা হয় না। কিন্তু যে ধরনের কেচাপই খান না কেন, তা খাওয়ার আগ্রহ নষ্ট করে দেয়। ক্ষুধামন্দা দেখা দেয় দ্রুত।
২. সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা
অনেকেই আছেন প্রবল ক্ষুধা নিয়ে রেস্টুরেন্টে ছুটে যান। কিন্তু কী খাবেন তা কখনোই ঠিক করতে পারেন না। এমন সিদ্ধান্তহীনতায় হিমশিম খাওয়ার পর অবশেষে আগের মতো খাওয়ার রুচি আর থাকে না। কয়েকজন মিলে খেতে গেলে এবং ওই দলে এমন একজন থাকলেও একই বিষয় ঘটে যেতে পারে।
৩. কাঁটাচামচ আর চাকু
কোনো অনুষ্ঠান বা রেস্টুরেন্টে অনেকে নিয়ম মেনে খেতে চান। এর জন্য হাত নয়, কাঁটা চামচ ও চাকুর ব্যবহারকেই একমাত্র অবলম্বন বলে ধরে নেন। অথচ মজা করে খাওয়ার সময় এগুলোর ব্যবহার নিঃসন্দেহে খাওয়ার তাগাদা শূন্যের কোঠায় নিয়ে যায়। তখন খাবারটা আর উপভোগ্য থাকে না। কাজেই হাত পরিষ্কার করে ধুয়ে খাবারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তেই পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
৪. অভদ্রোচিত আচরণ
এমন মানুষের অভাব নেই। তাঁরা রেস্টুরেন্টে গিয়ে ওয়েটারদের সঙ্গে বাজে ব্যবহার করেন। খেতে গিয়ে এর চেয়ে অভদ্রোচিত আচরণ আর হয় না। অথচ তাঁরা জানেন না, আবেগ মানুষের আচরণে ফুটে ওঠে। যেকোনো আবেগ মানুষের ইচ্ছা-অনিচ্ছার জন্ম দিতে পারে। মেজাজ খারাপ করে খেতে বসলে ক্ষুধা চলে যায় বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।
৫. সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তি
এমনকি সোশ্যাল মিডিয়াও ক্ষুধামন্দার কারণ হতে পারে।  ভোজনরসিকরা খাওয়ার সময় স্মার্টফোনটি প্রয়োজনে বন্ধ করে রাখেন। বিশেষ করে ইন্সটাগ্রামে দেওয়া বিভিন্ন খাবারের পোস্ট বেশি বেশি দেখা হলে খাওয়ার ইচ্ছা চলে যায়। তা ছাড়া কার জীবনে কখন কী ঘটে চলেছে ইত্যাদি দেখতে দেখতে পেটপূজা সম্পন্ন হয় না। - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/lifestyle/2016/06/02/365210#sthash.t9nkjKOX.dpuf 

১. কেচাপের স্রোতে ভাসা
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই বা যেকোনো ভাজা-পোড়া কেচাপ ছাড়া চলেই না। সবাই  কেচাপকে দারুণ অ্যাপিটাইজার বলে গ্রহণ করে নিয়েছেন। এটি খেতে মেইন কোর্স, ডেজার্ট বা কোনো পানীয় বাধা হয় না। কিন্তু যে ধরনের কেচাপই খান না কেন, তা খাওয়ার আগ্রহ নষ্ট করে দেয়। ক্ষুধামন্দা দেখা দেয় দ্রুত।
২. সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা
অনেকেই আছেন প্রবল ক্ষুধা নিয়ে রেস্টুরেন্টে ছুটে যান। কিন্তু কী খাবেন তা কখনোই ঠিক করতে পারেন না। এমন সিদ্ধান্তহীনতায় হিমশিম খাওয়ার পর অবশেষে আগের মতো খাওয়ার রুচি আর থাকে না। কয়েকজন মিলে খেতে গেলে এবং ওই দলে এমন একজন থাকলেও একই বিষয় ঘটে যেতে পারে।
৩. কাঁটাচামচ আর চাকু
কোনো অনুষ্ঠান বা রেস্টুরেন্টে অনেকে নিয়ম মেনে খেতে চান। এর জন্য হাত নয়, কাঁটা চামচ ও চাকুর ব্যবহারকেই একমাত্র অবলম্বন বলে ধরে নেন। অথচ মজা করে খাওয়ার সময় এগুলোর ব্যবহার নিঃসন্দেহে খাওয়ার তাগাদা শূন্যের কোঠায় নিয়ে যায়। তখন খাবারটা আর উপভোগ্য থাকে না। কাজেই হাত পরিষ্কার করে ধুয়ে খাবারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তেই পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
৪. অভদ্রোচিত আচরণ
এমন মানুষের অভাব নেই। তাঁরা রেস্টুরেন্টে গিয়ে ওয়েটারদের সঙ্গে বাজে ব্যবহার করেন। খেতে গিয়ে এর চেয়ে অভদ্রোচিত আচরণ আর হয় না। অথচ তাঁরা জানেন না, আবেগ মানুষের আচরণে ফুটে ওঠে। যেকোনো আবেগ মানুষের ইচ্ছা-অনিচ্ছার জন্ম দিতে পারে। মেজাজ খারাপ করে খেতে বসলে ক্ষুধা চলে যায় বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।
৫. সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তি
এমনকি সোশ্যাল মিডিয়াও ক্ষুধামন্দার কারণ হতে পারে।  ভোজনরসিকরা খাওয়ার সময় স্মার্টফোনটি প্রয়োজনে বন্ধ করে রাখেন। বিশেষ করে ইন্সটাগ্রামে দেওয়া বিভিন্ন খাবারের পোস্ট বেশি বেশি দেখা হলে খাওয়ার ইচ্ছা চলে যায়। তা ছাড়া কার জীবনে কখন কী ঘটে চলেছে ইত্যাদি দেখতে দেখতে পেটপূজা সম্পন্ন হয় না। - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/lifestyle/2016/06/02/365210#sthash.t9nkjKOX.dpuf