Friday 20th of April 2018 02:35:13 PM
 
  Top News:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহারে দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে----মো:নাসির  |  দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ৫টি সহজ উপায়  |  ৫ মিনিটের কম সময়ে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়  |  Beat Diabetes: 4 Ways to Prevent Type 2 Diabetes  |  নারীদের সফলতার পেছনে রয়েছে এই ৩টি কারণ  |  পাঁচ বদভ্যাসে ক্ষুধা নষ্ট  |  এই খাবারগুলো খালি পেটে খাবেন না  |  রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার এ কারণটি জানেন কি?  |  কম খরচে বিদেশ ভ্রমণে এশিয়ার সেরা ৭  |  শুধু ছেলেরাই নয়, মেয়েদেরকেও দিতে হবে প্রেমের প্রস্তাব   |  উৎকৃষ্ট সব অভ্যাস যাতে মেলে সুখ  |  যে ৪টি কারণে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়  |  মেঘদূত - জেবু নজরুল ইসলাম  |  3 Things Not To Say To Your Toddler  |   Men lose their minds speaking to pretty women  |  Lessons From a Marriage  |  চুইং গামে কী রয়েছে জানেন কি?  |  নিজেই তৈরি করে নিন দারুচিনি দিয়ে মাউথ ওয়াশ  |  সুস্থ থাকুন বৃষ্টি-বাদলায়  |  অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সামলে উঠুন ৪টি উপায়ে  |  
 
 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণহারে দ্বিতীয়, তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে----মো:নাসির

September 8, 2017, 8:40 AM, Hits: 393

 

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্তে ছিল মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সব কটিতে প্রথম শ্রেণি থাকতে হবে। কিন্তু উচ্চ মাধ্যমিকের শর্ত পূরণ না করেও এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃত বিভাগের শিক্ষক দিদারুল ইসলাম। একই বিভাগে একই সময়ে নিয়োগ পাওয়া মোহসীন রেজাও মাধ্যমিকের শর্ত পূরণ করতে পারেননি।
এ ছাড়া অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ইব্রাহিম মিয়া স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্বের শর্ত পূরণ করতে না পারলেও তিনি এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। ২০১৫ সালে নিয়োগ পাওয়া এ শিক্ষক গত ২৯ জুলাই উপাচার্য প্যানেল নির্বাচনে সিনেটের বিশেষ অধিবেশন চলাকালে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় অংশ নিয়েছিলেন। এই বিভাগে দুটি শূন্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও আইন ভেঙে নিয়োগ দেওয়া হয় পাঁচজনকে।
একইভাবে ২০১৬ সালে ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগে নিয়ম লঙ্ঘন করে চারটি পদের বিপরীতে নিয়োগ দেওয়া হয় ৯ জনকে। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর উভয় পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণি থাকার শর্ত দেওয়া হলেও ওই ৯ জনের তিনজন স্নাতকোত্তর পাসই করতে পারেননি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ন্যূনতম যোগ্যতাও পূরণ করতে পারেননি এমন অন্তত ৫০ জন শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে গত দেড় থেকে দুই বছরে। আবার নিয়ম লঙ্ঘন কিংবা বিজ্ঞাপনের শর্ত ভেঙেও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে কাউকে কাউকে।
নতুন নতুন বিভাগ খোলার নামেও ‘অযোগ্যদের’ পুনর্বাসন করা হয়েছে—এমন অভিযোগ অনেক শিক্ষকের।

তাঁরা বলছেন, একের পর এক বিভাগ খুলে দলীয় আনুগত্য কিংবা কাছের লোক বিবেচনায় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে পাঠদানের মান অনেক নিচে নেমেছে।
শিক্ষকরা বলছেন, যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দিয়ে অযোগ্যদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া নিয়ে সিন্ডিকেটেও মতবিরোধ হয়েছে। তবুও অযোগ্য প্রার্থীকেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রভাবশালী শিক্ষকরাই তাঁদের পছন্দের প্রার্থীকে এভাবে নিয়োগ দিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ইসলামিক স্টাডিজ, যোগাযোগ বৈকল্য, পরিসংখ্যান বিভাগ, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল, দর্শন, মুদ্রণ ও প্রকাশনা বিদ্যা, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, শিল্পকলার ইতিহাস এবং বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগে শিক্ষক নিয়োগে নিয়ম ভাঙা হয়েছে।

সিনিয়র এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কম যোগ্যতাসম্পন্ন কিংবা পেছন থেকে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা শিক্ষা-গবেষণায় মনোনিবেশের চেয়ে আনুগত্য দেখাতেই বেশি ব্যস্ত। দিনে ক্লাস-পরীক্ষা নেওয়ার পর উপাচার্যের বাসভবনে রাতভর তোষামোদ চলে। কোনো প্রয়োজন না থাকলেও কেবল সালাম দিতে যান সদ্য নিয়োগ পাওয়া তরুণ শিক্ষকরা। ’
নিয়ম ভেঙে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও সাবেক সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, ‘এই বিষয়ে অনিয়ম হলেও দীর্ঘ সাড়ে আট বছরেও কোনো সিন্ডিকেট সদস্য এটার প্রতিবাদ কিংবা লিখিত অভিযোগ করেননি। কখনো কখনো বিভাগের চেয়ারম্যান অভিযোগ করেছেন। বিভাগের প্রয়োজন না থাকলেও অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ’